মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের দেওয়া এক রাজকীয় মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টায় মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ায় আনোয়ার ইব্রাহিমের সরকারি বাসভবনে এই মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন।
মধ্যাহ্নভোজ চলাকালীন দুই দেশের ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে মালয়েশিয়ার স্থানীয় শিল্পীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল মালয়েশিয়ার স্কুল শিক্ষার্থীদের একটি পরিবেশনা, যেখানে তারা বাংলাদেশের বিখ্যাত গান ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার, শেষ বাংলাদেশ’-এর সুরের সঙ্গে চমৎকার নৃত্য পরিবেশন করে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আনোয়ার ইব্রাহিম এবং তাদের সহধর্মিণীরা অত্যন্ত আগ্রহের সাথে এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান ভবন থেকে নেমে এলে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ভবনের প্রবেশপথের দুই পাশে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে ছিল মালয়েশীয় শিশু-কিশোররা। তারা দুজনকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী শিশুদের কাছে এগিয়ে যান, তাদের সঙ্গে পরম মমতায় কথা বলেন এবং মাথায় হাত বুলিয়ে স্নেহাশীষ দেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিদায়ের পালা আসে। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের মূল ফটকে গাড়ির সামনে এসে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও তার সহধর্মিণী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানকে আন্তরিকতার সাথে বিদায় জানান।
এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী কড়া নিরাপত্তা ও মোটর শোভাযাত্রাসহকারে কুয়ালালামপুরের শাংগ্রিলা হোটেলে ফিরে যান। মালয়েশিয়া সফরের অংশ হিসেবে এই হোটেলেই প্রধানমন্ত্রীর পরবর্তী নির্ধারিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের দেওয়া এক রাজকীয় মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টায় মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ায় আনোয়ার ইব্রাহিমের সরকারি বাসভবনে এই মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন।
মধ্যাহ্নভোজ চলাকালীন দুই দেশের ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে মালয়েশিয়ার স্থানীয় শিল্পীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল মালয়েশিয়ার স্কুল শিক্ষার্থীদের একটি পরিবেশনা, যেখানে তারা বাংলাদেশের বিখ্যাত গান ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার, শেষ বাংলাদেশ’-এর সুরের সঙ্গে চমৎকার নৃত্য পরিবেশন করে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আনোয়ার ইব্রাহিম এবং তাদের সহধর্মিণীরা অত্যন্ত আগ্রহের সাথে এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান ভবন থেকে নেমে এলে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ভবনের প্রবেশপথের দুই পাশে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে ছিল মালয়েশীয় শিশু-কিশোররা। তারা দুজনকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী শিশুদের কাছে এগিয়ে যান, তাদের সঙ্গে পরম মমতায় কথা বলেন এবং মাথায় হাত বুলিয়ে স্নেহাশীষ দেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিদায়ের পালা আসে। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের মূল ফটকে গাড়ির সামনে এসে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও তার সহধর্মিণী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানকে আন্তরিকতার সাথে বিদায় জানান।
এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী কড়া নিরাপত্তা ও মোটর শোভাযাত্রাসহকারে কুয়ালালামপুরের শাংগ্রিলা হোটেলে ফিরে যান। মালয়েশিয়া সফরের অংশ হিসেবে এই হোটেলেই প্রধানমন্ত্রীর পরবর্তী নির্ধারিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন