ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তেহরান। ওয়াশিংটনের কোনো ধরনের নতুন চাপ বা হুমকি আর বরদাশত করা হবে না জানিয়ে ইটের বদলে পাটকেল মারার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি। ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন কৌশলের জবাবে সমুদ্র, আকাশ ও সাইবার ক্ষেত্রে ‘চূড়ান্ত’ ও ‘বিধ্বংসী’ প্রতিক্রিয়া দেখানোর ঘোষণা দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।
মার্কিন ট্রেজারি সেকশন থেকে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে কোণঠাসা করার উদ্দেশ্যে নতুন নিষেধাজ্ঞা চালুর ঘোষণা আসার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন রূপ নেয়। আগামী সপ্তাহ থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরানকে সহায়তাকারী যেকোনো দেশকেও অর্থনৈতিক চরম খেসারতের বার্তা দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন হুমকির জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আলী আবদোল্লাহি জানান, শত্রুর যেকোনো আগ্রাসনে তাৎক্ষণিক ও চূড়ান্ত জবাব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, "স্থল, সমুদ্র, আকাশ, আকাশ প্রতিরক্ষা ও সাইবার ক্ষেত্রে প্রস্তুতি নিয়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শত্রুর নতুন হুমকির জবাবে চূড়ান্ত, শাস্তিমূলক ও বিধ্বংসী প্রতিক্রিয়া জানাবে।"
সামরিক উপায়ে ইরানকে কাবু করা অসম্ভব বুঝতে পেরে ওয়াশিংটন এখন অর্থনৈতিক কৌশলে হাঁটছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে চলা আলোচনার প্রধান এই মুখ ওয়াশিংটনের নীতির কঠোর সমালোচনা করে বলেন, "ওয়াশিংটন সম্ভবত বুঝতে পেরেছে যে সরাসরি সামরিক সংঘাতে ইরানের বিরুদ্ধে জয়ী হওয়া সম্ভব নয়।"
তিনি আরও যোগ করেন, "অন্যায় নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় আমাদের পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে আমরা তা কাটিয়ে উঠতে পারি।" তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এখন সরাসরি যুদ্ধের বদলে অর্থনৈতিক ও মানসিক প্রভাব বিস্তারের ছক কষছে।
মধ্যপ্রাচ্যের দুই পরাশক্তির এই বাকযুদ্ধের প্রভাব ইতোমধ্যে পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় জ্বালানি তেলের দাম টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। কঠোর ব্যবস্থার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে এক ধাক্কায় অপরিশোধিত তেলের দাম গত তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তেহরান। ওয়াশিংটনের কোনো ধরনের নতুন চাপ বা হুমকি আর বরদাশত করা হবে না জানিয়ে ইটের বদলে পাটকেল মারার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি। ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন কৌশলের জবাবে সমুদ্র, আকাশ ও সাইবার ক্ষেত্রে ‘চূড়ান্ত’ ও ‘বিধ্বংসী’ প্রতিক্রিয়া দেখানোর ঘোষণা দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।
মার্কিন ট্রেজারি সেকশন থেকে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে কোণঠাসা করার উদ্দেশ্যে নতুন নিষেধাজ্ঞা চালুর ঘোষণা আসার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন রূপ নেয়। আগামী সপ্তাহ থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরানকে সহায়তাকারী যেকোনো দেশকেও অর্থনৈতিক চরম খেসারতের বার্তা দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন হুমকির জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আলী আবদোল্লাহি জানান, শত্রুর যেকোনো আগ্রাসনে তাৎক্ষণিক ও চূড়ান্ত জবাব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, "স্থল, সমুদ্র, আকাশ, আকাশ প্রতিরক্ষা ও সাইবার ক্ষেত্রে প্রস্তুতি নিয়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শত্রুর নতুন হুমকির জবাবে চূড়ান্ত, শাস্তিমূলক ও বিধ্বংসী প্রতিক্রিয়া জানাবে।"
সামরিক উপায়ে ইরানকে কাবু করা অসম্ভব বুঝতে পেরে ওয়াশিংটন এখন অর্থনৈতিক কৌশলে হাঁটছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে চলা আলোচনার প্রধান এই মুখ ওয়াশিংটনের নীতির কঠোর সমালোচনা করে বলেন, "ওয়াশিংটন সম্ভবত বুঝতে পেরেছে যে সরাসরি সামরিক সংঘাতে ইরানের বিরুদ্ধে জয়ী হওয়া সম্ভব নয়।"
তিনি আরও যোগ করেন, "অন্যায় নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় আমাদের পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে আমরা তা কাটিয়ে উঠতে পারি।" তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এখন সরাসরি যুদ্ধের বদলে অর্থনৈতিক ও মানসিক প্রভাব বিস্তারের ছক কষছে।
মধ্যপ্রাচ্যের দুই পরাশক্তির এই বাকযুদ্ধের প্রভাব ইতোমধ্যে পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় জ্বালানি তেলের দাম টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। কঠোর ব্যবস্থার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে এক ধাক্কায় অপরিশোধিত তেলের দাম গত তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল।

আপনার মতামত লিখুন