সংবাদ

কলেরা টিকাদানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম

কলেরা টিকাদানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে টিকার সহযোগী করল মাউশি

দেশের কলেরার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় মুখে খাওয়ার প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন সফল করতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) মাধ্যমিক উইংয়ের পরিচালক প্রফেসর মো. সাখাওয়াত হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে দেশের পাঁচ জেলার সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তা, অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের এই কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচির প্রথম ডোজ গতকাল ২২ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে। কর্মসূচির আওতায় নির্ধারিত এলাকার এক বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী (গর্ভবতী মা ছাড়া) সাধারণ জনগোষ্ঠী ও শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা হবে।

ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্মনিবন্ধন সনদের মাধ্যমে vaxepi.gov.bd ওয়েবসাইটে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় শিক্ষকরা সরাসরি সহযোগিতা করবেন। প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের শিক্ষকদেরও এই কাজে যুক্ত করা হবে।

এ ছাড়া অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করতে জেলা ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ফেসবুক পেজে এ-সংক্রান্ত তথ্য আপলোড করতে হবে। টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হবে। শিক্ষক-শিক্ষিকারাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের মাঠপর্যায়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


কলেরা টিকাদানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দেশের কলেরার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় মুখে খাওয়ার প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন সফল করতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) মাধ্যমিক উইংয়ের পরিচালক প্রফেসর মো. সাখাওয়াত হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে দেশের পাঁচ জেলার সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তা, অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের এই কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচির প্রথম ডোজ গতকাল ২২ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে। কর্মসূচির আওতায় নির্ধারিত এলাকার এক বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী (গর্ভবতী মা ছাড়া) সাধারণ জনগোষ্ঠী ও শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা হবে।

ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্মনিবন্ধন সনদের মাধ্যমে vaxepi.gov.bd ওয়েবসাইটে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় শিক্ষকরা সরাসরি সহযোগিতা করবেন। প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের শিক্ষকদেরও এই কাজে যুক্ত করা হবে।

এ ছাড়া অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করতে জেলা ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ফেসবুক পেজে এ-সংক্রান্ত তথ্য আপলোড করতে হবে। টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হবে। শিক্ষক-শিক্ষিকারাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের মাঠপর্যায়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত