সংবাদ

বোরো ধানে পাতাপোড়া রোগ, দুশ্চিন্তায় চিতলমারীর কৃষকেরা


প্রতিনিধি, চিতলমারী (বাগেরহাট)
প্রতিনিধি, চিতলমারী (বাগেরহাট)
প্রকাশ: ৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম

বোরো ধানে পাতাপোড়া রোগ, দুশ্চিন্তায় চিতলমারীর কৃষকেরা
ধান কাটার আগমুহূর্তে ফসল নষ্ট হওয়ায় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত কৃষক। ছবি : সংবাদ

বাগেরহাটের চিতলমারীতে বোরো ধান কাটার আগমুহূর্তে ‘পাতাপোড়া’ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। কাঙ্ক্ষিত ফলনের আশা থাকলেও শেষ সময়ে ফসলের এই অবস্থায় চাষিদের মধ্যে চরম হতাশা ও দুশ্চিন্তা বিরাজ করছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১২ হাজার ১৫৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে হীরা-২, হীরা-৯, আলোড়ন, স্বাতী ও ইস্পাহানি-২-সহ বিভিন্ন উচ্চফলনশীল ও স্থানীয় জাতের ধান রয়েছে। মূলত চিংড়ি ঘেরের ভেতরেই এসব ধানের চাষ করা হয়, যা স্থানীয় কৃষকদের সারা বছরের খাদ্যের প্রধান উৎস।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি কালবৈশাখী ঝড়ের পর বিভিন্ন মাঠে ধানের পাতা শুকিয়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। উপজেলার শ্যামপাড়া গ্রামের কৃষক নির্মল মণ্ডল, মাধব বৈরাগী ও অসীম মণ্ডল জানান, তাঁদের জমিতে এই রোগ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। প্রতিকার না পেয়ে তারা উদ্বিগ্ন।

দুর্গাপুর এলাকার কৃষক প্রতুল হালদার ও উমাজুড়ি গ্রামের অপূর্ব হীরা জানান, ঝোড়ো বাতাসের পর থেকেই ধানগাছের পাতা পুড়তে শুরু করেছে। এতে ধানে চিটা হওয়ার পাশাপাশি ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাতাপোড়া রোগের পাশাপাশি ইঁদুরের উপদ্রব ও বৈরী আবহাওয়ায় কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সিফাত আল মারুফ জানান, মূলত ঝোড়ো বাতাসের কারণে ধানের পাতার এই অবস্থা হয়েছে। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জমিতে পটাশ সার ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। তবে এতে ফলনে বড় কোনো ঘাটতি হবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


বোরো ধানে পাতাপোড়া রোগ, দুশ্চিন্তায় চিতলমারীর কৃষকেরা

প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বাগেরহাটের চিতলমারীতে বোরো ধান কাটার আগমুহূর্তে ‘পাতাপোড়া’ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। কাঙ্ক্ষিত ফলনের আশা থাকলেও শেষ সময়ে ফসলের এই অবস্থায় চাষিদের মধ্যে চরম হতাশা ও দুশ্চিন্তা বিরাজ করছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১২ হাজার ১৫৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে হীরা-২, হীরা-৯, আলোড়ন, স্বাতী ও ইস্পাহানি-২-সহ বিভিন্ন উচ্চফলনশীল ও স্থানীয় জাতের ধান রয়েছে। মূলত চিংড়ি ঘেরের ভেতরেই এসব ধানের চাষ করা হয়, যা স্থানীয় কৃষকদের সারা বছরের খাদ্যের প্রধান উৎস।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি কালবৈশাখী ঝড়ের পর বিভিন্ন মাঠে ধানের পাতা শুকিয়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। উপজেলার শ্যামপাড়া গ্রামের কৃষক নির্মল মণ্ডল, মাধব বৈরাগী ও অসীম মণ্ডল জানান, তাঁদের জমিতে এই রোগ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। প্রতিকার না পেয়ে তারা উদ্বিগ্ন।

দুর্গাপুর এলাকার কৃষক প্রতুল হালদার ও উমাজুড়ি গ্রামের অপূর্ব হীরা জানান, ঝোড়ো বাতাসের পর থেকেই ধানগাছের পাতা পুড়তে শুরু করেছে। এতে ধানে চিটা হওয়ার পাশাপাশি ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাতাপোড়া রোগের পাশাপাশি ইঁদুরের উপদ্রব ও বৈরী আবহাওয়ায় কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সিফাত আল মারুফ জানান, মূলত ঝোড়ো বাতাসের কারণে ধানের পাতার এই অবস্থা হয়েছে। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জমিতে পটাশ সার ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। তবে এতে ফলনে বড় কোনো ঘাটতি হবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত