পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কারাবাস নিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না কিংবদন্তি ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ। দীর্ঘদিনের সতীর্থকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়ার আকুতি জানিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। পাকিস্তানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর প্রতি মিয়াঁদাদের আহ্বান, রাজনৈতিক বৈরিতা ভুলে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হোক।
বর্তমানে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দী রয়েছেন ইমরান খান। সম্প্রতি ‘ন্যারেটিভস’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিয়াঁদাদ তার সাবেক সতীর্থের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘কেউ আমাকে বুঝিয়ে বলুন, ইমরান কি পাকিস্তানকে গিলে খাবে? কেন বিষয়টিকে এভাবে দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে?’
ইমরানের সঙ্গে নিজের গভীর সম্পর্কের স্মৃতিচারণা করে মিয়াঁদাদ বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে কাউন্টি ক্রিকেট খেলেছি, এক রুমে থেকেছি। আমার অধিনায়কত্ব আমিই তাকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু ইমরান একজন সৎ মানুষ এবং জাতীয় বীর। দেশপ্রেমের দিক থেকে সে কারও চেয়ে কম নয়।’
১৯৯২ বিশ্বকাপ ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইমরান ও মিয়াঁদাদের ১৩৯ রানের সেই ঐতিহাসিক জুটি পাকিস্তানকে প্রথম শিরোপা এনে দিয়েছিল। সেই সোনালী দিনের কথা মনে করে মিয়াঁদাদ বলেন, ‘সে আমার ভাইয়ের মতো। সৃষ্টিকর্তা না করুন, তার যদি কিছু হয়ে যায়, তবে পুরো পাকিস্তান কাঁদবে।’
সব শেষে পাকিস্তানের স্বার্থে সব ভেদাভেদ ভুলে ইমরান খানকে মুক্তি দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে জোরালো আবেদন জানান এই কিংবদন্তি ব্যাটার।
\

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কারাবাস নিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না কিংবদন্তি ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ। দীর্ঘদিনের সতীর্থকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়ার আকুতি জানিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। পাকিস্তানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর প্রতি মিয়াঁদাদের আহ্বান, রাজনৈতিক বৈরিতা ভুলে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হোক।
বর্তমানে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দী রয়েছেন ইমরান খান। সম্প্রতি ‘ন্যারেটিভস’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিয়াঁদাদ তার সাবেক সতীর্থের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘কেউ আমাকে বুঝিয়ে বলুন, ইমরান কি পাকিস্তানকে গিলে খাবে? কেন বিষয়টিকে এভাবে দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে?’
ইমরানের সঙ্গে নিজের গভীর সম্পর্কের স্মৃতিচারণা করে মিয়াঁদাদ বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে কাউন্টি ক্রিকেট খেলেছি, এক রুমে থেকেছি। আমার অধিনায়কত্ব আমিই তাকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু ইমরান একজন সৎ মানুষ এবং জাতীয় বীর। দেশপ্রেমের দিক থেকে সে কারও চেয়ে কম নয়।’
১৯৯২ বিশ্বকাপ ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইমরান ও মিয়াঁদাদের ১৩৯ রানের সেই ঐতিহাসিক জুটি পাকিস্তানকে প্রথম শিরোপা এনে দিয়েছিল। সেই সোনালী দিনের কথা মনে করে মিয়াঁদাদ বলেন, ‘সে আমার ভাইয়ের মতো। সৃষ্টিকর্তা না করুন, তার যদি কিছু হয়ে যায়, তবে পুরো পাকিস্তান কাঁদবে।’
সব শেষে পাকিস্তানের স্বার্থে সব ভেদাভেদ ভুলে ইমরান খানকে মুক্তি দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে জোরালো আবেদন জানান এই কিংবদন্তি ব্যাটার।
\

আপনার মতামত লিখুন