কক্সবাজার সরকারি কলেজের নারী হোস্টেল ‘দোলনচাঁপা’ থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ শরিফা (২১) নামে এক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাত আটটার দিকে কলেজ প্রশাসনের সহায়তায় হোস্টেলে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার শরিফা কক্সবাজার সরকারি কলেজের গণিত বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা এলাকায়। তার বাবা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার সুপার বলে জানা গেছে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী সংবাদকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কলেজ কর্তৃপক্ষের সহায়তায় দোলনচাঁপা মহিলা হোস্টেলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় শরিফার ঘর থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শরিফা দাবি করেছেন, টেকনাফের হ্নীলা থেকে তার এক ‘আন্টি’ পার্সেলের মাধ্যমে ইয়াবাগুলো পাঠিয়েছিলেন। পরে সেগুলো তার হেফাজতে রাখা হয়। তবে এই দাবির সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।
ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ইয়াবা পাচার ও সংরক্ষণের ঘটনায় একটি চক্র জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে চক্রটির অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে সরকারি কলেজের নারী হোস্টেল থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হোস্টেলের আবাসিক ছাত্রীদের তদারকি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল। হোস্টেলে পর্যাপ্ত নজরদারি ও সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকারও অভিযোগ রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। শরিফার পরিচিতদের দাবি, সাধারণ পরিবারের সন্তান শরিফার বিরুদ্ধে আগে কখনো মাদক ব্যবসার সম্পৃক্ততার অভিযোগ শোনা যায়নি। ফলে কার প্ররোচনায় বা কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ ইয়াবা তার কাছে এলো, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই ঘটনার পেছনে মূল কারবারিরা কে বা কারা, তা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে কলেজ কর্তৃপক্ষ ও হোস্টেল সুপারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কক্সবাজার সরকারি কলেজের নারী হোস্টেল ‘দোলনচাঁপা’ থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ শরিফা (২১) নামে এক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাত আটটার দিকে কলেজ প্রশাসনের সহায়তায় হোস্টেলে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার শরিফা কক্সবাজার সরকারি কলেজের গণিত বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা এলাকায়। তার বাবা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার সুপার বলে জানা গেছে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী সংবাদকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কলেজ কর্তৃপক্ষের সহায়তায় দোলনচাঁপা মহিলা হোস্টেলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় শরিফার ঘর থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শরিফা দাবি করেছেন, টেকনাফের হ্নীলা থেকে তার এক ‘আন্টি’ পার্সেলের মাধ্যমে ইয়াবাগুলো পাঠিয়েছিলেন। পরে সেগুলো তার হেফাজতে রাখা হয়। তবে এই দাবির সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।
ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ইয়াবা পাচার ও সংরক্ষণের ঘটনায় একটি চক্র জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে চক্রটির অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে সরকারি কলেজের নারী হোস্টেল থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হোস্টেলের আবাসিক ছাত্রীদের তদারকি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল। হোস্টেলে পর্যাপ্ত নজরদারি ও সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকারও অভিযোগ রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। শরিফার পরিচিতদের দাবি, সাধারণ পরিবারের সন্তান শরিফার বিরুদ্ধে আগে কখনো মাদক ব্যবসার সম্পৃক্ততার অভিযোগ শোনা যায়নি। ফলে কার প্ররোচনায় বা কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ ইয়াবা তার কাছে এলো, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই ঘটনার পেছনে মূল কারবারিরা কে বা কারা, তা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে কলেজ কর্তৃপক্ষ ও হোস্টেল সুপারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন