সংবাদ

‘তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন’


প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫১ পিএম

‘তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন’
ছবি : সংবাদ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীকে আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, শুধু সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে নগরবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণও নিশ্চিত করতে হবে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর চান্দগাঁও চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকায় চসিকের বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

অভিযানকালে চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকার বিভিন্ন স্থানে লার্ভা ধ্বংস ও ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। একই সঙ্গে সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংসের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতন করা হয়।

নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস আমাদের প্রত্যেককে গড়ে তুলতে হবে। এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে কিংবা নির্মাণাধীন ভবনে যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন।’

মেয়র জানান, চট্টগ্রাম নগরীর প্রতিটি এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করতে তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

চসিকের কার্যক্রম তুলে ধরে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) স্বীকৃত বিটিআই (BTI) ব্যবহারের পাশাপাশি নিয়মিত লার্ভিসাইড প্রয়োগ ও অ্যাডাল্টিসাইড স্প্রে করা হচ্ছে। আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম তদারক করছেন। এ ছাড়া বিএনসিসি, রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকেও এই কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


‘তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন’

প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীকে আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, শুধু সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে নগরবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণও নিশ্চিত করতে হবে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর চান্দগাঁও চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকায় চসিকের বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

অভিযানকালে চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকার বিভিন্ন স্থানে লার্ভা ধ্বংস ও ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। একই সঙ্গে সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংসের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতন করা হয়।

নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস আমাদের প্রত্যেককে গড়ে তুলতে হবে। এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে কিংবা নির্মাণাধীন ভবনে যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন।’

মেয়র জানান, চট্টগ্রাম নগরীর প্রতিটি এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করতে তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

চসিকের কার্যক্রম তুলে ধরে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) স্বীকৃত বিটিআই (BTI) ব্যবহারের পাশাপাশি নিয়মিত লার্ভিসাইড প্রয়োগ ও অ্যাডাল্টিসাইড স্প্রে করা হচ্ছে। আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম তদারক করছেন। এ ছাড়া বিএনসিসি, রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকেও এই কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত