নওগাঁর প্রকৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য, মানুষ, জীবনযাত্রা ও সম্ভাবনাকে আলোকচিত্রে ধারণ করে জেলার বৈচিত্র্য তুলে ধরতে ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন। ‘ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা ২০২৬’ শীর্ষক এ আয়োজনে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ৯০০টির বেশি ছবির মধ্যে সেরা ১৩ জন বিজয়ী আলোকচিত্রীকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অনুষ্ঠিত সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা সনদ, ক্রেস্ট ও প্রাইজমানি তুলে দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী। অনুষ্ঠানে নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকেরা জানান, কেবল পরিচিত পর্যটন কেন্দ্র বা ঐতিহাসিক স্থাপনা নয়; বরং মানুষের দৈনন্দিন জীবন, কৃষকের কর্মব্যস্ততা, গ্রামীণ জনপদ, নদী-বিল, লোকজ সংস্কৃতি ও পরিবেশের বহুমাত্রিক চিত্র তুলে ধরাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। প্রতিযোগিতাটি তরুণ ও পেশাদার আলোকচিত্রীদের সৃজনশীলতার বিকাশে একটি সুন্দর মঞ্চ তৈরি করেছে।
গত ২০ মে প্রতিযোগিতার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ৩০ জুন পর্যন্ত ছবি জমা নেওয়া হয়। জুলাই মাসে প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে ২ আগস্ট বিচারকমণ্ডলী চূড়ান্ত মূল্যায়ন সম্পন্ন করেন। বিচারকাজে ছবির সৃজনশীলতা, কম্পোজিশন, কারিগরি দক্ষতা ও গল্পের দিকটিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। নওগাঁর ১৩টি উপজেলা থেকে প্রায় দেড় শ আলোকচিত্রী এতে অংশ নেন।
জেলা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের মতে, সংগৃহীত এসব ভিজ্যুয়াল দলিল ভবিষ্যতে জেলার পর্যটন প্রচার, ঐতিহ্য উপস্থাপন এবং 'জেলা ব্র্যান্ডিং'-এর কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নওগাঁর প্রকৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য, মানুষ, জীবনযাত্রা ও সম্ভাবনাকে আলোকচিত্রে ধারণ করে জেলার বৈচিত্র্য তুলে ধরতে ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন। ‘ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা ২০২৬’ শীর্ষক এ আয়োজনে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ৯০০টির বেশি ছবির মধ্যে সেরা ১৩ জন বিজয়ী আলোকচিত্রীকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অনুষ্ঠিত সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা সনদ, ক্রেস্ট ও প্রাইজমানি তুলে দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী। অনুষ্ঠানে নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকেরা জানান, কেবল পরিচিত পর্যটন কেন্দ্র বা ঐতিহাসিক স্থাপনা নয়; বরং মানুষের দৈনন্দিন জীবন, কৃষকের কর্মব্যস্ততা, গ্রামীণ জনপদ, নদী-বিল, লোকজ সংস্কৃতি ও পরিবেশের বহুমাত্রিক চিত্র তুলে ধরাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। প্রতিযোগিতাটি তরুণ ও পেশাদার আলোকচিত্রীদের সৃজনশীলতার বিকাশে একটি সুন্দর মঞ্চ তৈরি করেছে।
গত ২০ মে প্রতিযোগিতার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ৩০ জুন পর্যন্ত ছবি জমা নেওয়া হয়। জুলাই মাসে প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে ২ আগস্ট বিচারকমণ্ডলী চূড়ান্ত মূল্যায়ন সম্পন্ন করেন। বিচারকাজে ছবির সৃজনশীলতা, কম্পোজিশন, কারিগরি দক্ষতা ও গল্পের দিকটিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। নওগাঁর ১৩টি উপজেলা থেকে প্রায় দেড় শ আলোকচিত্রী এতে অংশ নেন।
জেলা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের মতে, সংগৃহীত এসব ভিজ্যুয়াল দলিল ভবিষ্যতে জেলার পর্যটন প্রচার, ঐতিহ্য উপস্থাপন এবং 'জেলা ব্র্যান্ডিং'-এর কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন