যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচনা চলার মধ্যেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ওই হামলায় ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ উচ্চপদস্থ বেশ কয়েকজন নেতা ও সামরিক কমান্ডার প্রাণ হারান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তারা হয়তো ইরানি নেতাদের হত্যার ক্ষেত্রে একটু বেশিই বাড়াবাড়ি করে ফেলেছেন।
স্থানীয় সময় রোববার (১ নভেম্বর) আইওয়া অঙ্গরাজ্যের ডুবুকিউতে এক জনসভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীকে ধ্বংস করে দিয়েছে, তাদের বিমান বিধ্বংসী রাডার ধ্বংস করে দিয়েছে এবং তাদের নেতাদের হত্যা করেছে। তবে তাদের নেতাদের নিয়ে আমরা সম্ভবত একটু বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি। যা নিয়ে কেউ কথা বলে না।’
এছাড়া ইরানে হামলা চালানোর পক্ষে সাফাই গেয়েছেন তিনি। ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরানই এ যুদ্ধ শুরু করেছে এবং তারাই এটি শেষ করছেন।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের এক নম্বর মদদদাতা দেশ থেকে আমি আমাদের দেশকে রক্ষা করেছি।’
জনসভায় ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর থেকে আমাদের ওপর হামলা করছে। এছাড়া ২০০০ সালে ইয়েমেনের এডেন উপকূলে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস কোলেতে হামলার জন্যও ইরানকে দায়ী করেছেন তিনি। যদিও ওই সময় এ হামলার দায় স্বীকার করেছিল আল কায়েদা।
এর সঙ্গে ইরাকে রাস্তার পাশে পোঁতা বোমায় মার্কিন সেনারা নিহত হওয়ার জন্যও ইরানকেই দায়ী করেছেন তিনি।
ট্রাম্প বলেছেন, এসব বোমা হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কুদস ফোর্সের কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করেছেন তারা। তাকে ‘রাস্তার পাশের বোমার জনক’ হিসেবে অভিহিত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
২০২০ সালে ইরাকের বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হন কাসেম সোলাইমানি। ওই বছর প্রথমবার ক্ষমতায় আসেন ট্রাম্প।
ইরান এসব করে আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছে বলে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা এ যুদ্ধ শুরু করেছে। আমরা শুরু করিনি। আমরা যুদ্ধটি শেষ করছি। আমরা তাদের খুব শোচনীয়ভাবে হারাচ্ছি।’
সূত্র : আলজাজিরা

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচনা চলার মধ্যেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ওই হামলায় ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ উচ্চপদস্থ বেশ কয়েকজন নেতা ও সামরিক কমান্ডার প্রাণ হারান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তারা হয়তো ইরানি নেতাদের হত্যার ক্ষেত্রে একটু বেশিই বাড়াবাড়ি করে ফেলেছেন।
স্থানীয় সময় রোববার (১ নভেম্বর) আইওয়া অঙ্গরাজ্যের ডুবুকিউতে এক জনসভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীকে ধ্বংস করে দিয়েছে, তাদের বিমান বিধ্বংসী রাডার ধ্বংস করে দিয়েছে এবং তাদের নেতাদের হত্যা করেছে। তবে তাদের নেতাদের নিয়ে আমরা সম্ভবত একটু বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি। যা নিয়ে কেউ কথা বলে না।’
এছাড়া ইরানে হামলা চালানোর পক্ষে সাফাই গেয়েছেন তিনি। ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরানই এ যুদ্ধ শুরু করেছে এবং তারাই এটি শেষ করছেন।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের এক নম্বর মদদদাতা দেশ থেকে আমি আমাদের দেশকে রক্ষা করেছি।’
জনসভায় ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর থেকে আমাদের ওপর হামলা করছে। এছাড়া ২০০০ সালে ইয়েমেনের এডেন উপকূলে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস কোলেতে হামলার জন্যও ইরানকে দায়ী করেছেন তিনি। যদিও ওই সময় এ হামলার দায় স্বীকার করেছিল আল কায়েদা।
এর সঙ্গে ইরাকে রাস্তার পাশে পোঁতা বোমায় মার্কিন সেনারা নিহত হওয়ার জন্যও ইরানকেই দায়ী করেছেন তিনি।
ট্রাম্প বলেছেন, এসব বোমা হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কুদস ফোর্সের কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করেছেন তারা। তাকে ‘রাস্তার পাশের বোমার জনক’ হিসেবে অভিহিত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
২০২০ সালে ইরাকের বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হন কাসেম সোলাইমানি। ওই বছর প্রথমবার ক্ষমতায় আসেন ট্রাম্প।
ইরান এসব করে আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছে বলে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা এ যুদ্ধ শুরু করেছে। আমরা শুরু করিনি। আমরা যুদ্ধটি শেষ করছি। আমরা তাদের খুব শোচনীয়ভাবে হারাচ্ছি।’
সূত্র : আলজাজিরা

আপনার মতামত লিখুন