বগুড়ার শাহজাহানপুরে ত্রাস সৃষ্টি করা কুখ্যাত 'জলিল বাহিনী'র দৌরাত্ম্য রুখে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। চাঁদাবাজি ও নারীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর গণপিটুনির শিকার হয়েছে বাহিনীর এক সদস্য।
বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর থানাধীন আরিয়া ইউনিয়নের শাবরুল গ্রামে
রবিবার দুপুরে জলিল বাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় হিন্দুপাড়ার দোকানপাটে বেপরোয়া চাঁদাবাজি
শুরু করে। শুধু চাঁদাবাজিই নয়, তারা এলাকার নারীদের চলাচলের পথে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য
ও ইভটিজিং করে আসছিলো।
দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকে স্থানীয়রা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাগর
নামে জলিল বাহিনীর এক চাঁদাবাজকে হাতেনাতে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে শাহজাহানপুর থানার ওসি আশিক ইকবালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশাল টিম দ্রুত
ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সাহস যোগায়। পুলিশের উপস্থিতিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন
সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এই ঘটনায় বিজলী রানী নামে স্থানীয় এক নারী
বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
শাহজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশিক ইকবাল সংবাদকে জানান,
বাহিনীর প্রধান জলিল একটি হত্যা মামলার আসামি। সম্প্রতি জামিনে বেরিয়ে সে আবারও বেপরোয়া
হয়ে উঠেছে এবং এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
ওসি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, "শাবরুল এলাকায় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের
কোনো ঠাঁই হবে না। এলাকাটিকে চাঁদাবাজমুক্ত করতে পুলিশ সর্বাত্মক কাজ করছে এবং নিরাপত্তা
জোরদার করা হয়েছে।"
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এক সময় মানুষ সন্ত্রাসীদের ভয়ে তটস্থ
থাকলেও এখন উল্টো সন্ত্রাসীরাই সাধারণ মানুষের প্রতিরোধের মুখে ভয়ে পালাচ্ছে। এলাকায়
এর আগে একাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও বর্তমানে ওসির আশ্বাস ও জনগণের ঐক্য নতুন আশার
সঞ্চার করেছে।
স্থানীয় হিন্দু যুবকরা অভিযোগ করেন, জলিল বাহিনী শুধু চাঁদাবাজি
নয়, জমি দখল ও নেশার স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে। অতিষ্ঠ জনতা এখন তাদের এলাকাকে সম্পূর্ণ
সন্ত্রাসমুক্ত দেখতে চায়। রাজশাহী বিভাগের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা সংবাদকে জানিয়েছেন,
গত রবিবার দুপুর ১টা থেকে পৌনে ২টা পর্যন্ত গণচাঁদাবাজির সময় জনতা প্রতিবাদী হয়ে ওঠে।
ওসি আশিক ইকবাল সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেন, "আমি নিজে
ঘটনাস্থলে থেকে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছি। চাঁদাবাজ
ও সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই। জলিলসহ বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং যেখানেই তাকে
পাওয়া যাবে, সেখান থেকেই গ্রেপ্তার করা হবে।" বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ
মোতায়েন রয়েছে।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
বগুড়ার শাহজাহানপুরে ত্রাস সৃষ্টি করা কুখ্যাত 'জলিল বাহিনী'র দৌরাত্ম্য রুখে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। চাঁদাবাজি ও নারীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর গণপিটুনির শিকার হয়েছে বাহিনীর এক সদস্য।
বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর থানাধীন আরিয়া ইউনিয়নের শাবরুল গ্রামে
রবিবার দুপুরে জলিল বাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় হিন্দুপাড়ার দোকানপাটে বেপরোয়া চাঁদাবাজি
শুরু করে। শুধু চাঁদাবাজিই নয়, তারা এলাকার নারীদের চলাচলের পথে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য
ও ইভটিজিং করে আসছিলো।
দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকে স্থানীয়রা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাগর
নামে জলিল বাহিনীর এক চাঁদাবাজকে হাতেনাতে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে শাহজাহানপুর থানার ওসি আশিক ইকবালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশাল টিম দ্রুত
ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সাহস যোগায়। পুলিশের উপস্থিতিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন
সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এই ঘটনায় বিজলী রানী নামে স্থানীয় এক নারী
বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
শাহজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশিক ইকবাল সংবাদকে জানান,
বাহিনীর প্রধান জলিল একটি হত্যা মামলার আসামি। সম্প্রতি জামিনে বেরিয়ে সে আবারও বেপরোয়া
হয়ে উঠেছে এবং এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
ওসি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, "শাবরুল এলাকায় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের
কোনো ঠাঁই হবে না। এলাকাটিকে চাঁদাবাজমুক্ত করতে পুলিশ সর্বাত্মক কাজ করছে এবং নিরাপত্তা
জোরদার করা হয়েছে।"
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এক সময় মানুষ সন্ত্রাসীদের ভয়ে তটস্থ
থাকলেও এখন উল্টো সন্ত্রাসীরাই সাধারণ মানুষের প্রতিরোধের মুখে ভয়ে পালাচ্ছে। এলাকায়
এর আগে একাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও বর্তমানে ওসির আশ্বাস ও জনগণের ঐক্য নতুন আশার
সঞ্চার করেছে।
স্থানীয় হিন্দু যুবকরা অভিযোগ করেন, জলিল বাহিনী শুধু চাঁদাবাজি
নয়, জমি দখল ও নেশার স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে। অতিষ্ঠ জনতা এখন তাদের এলাকাকে সম্পূর্ণ
সন্ত্রাসমুক্ত দেখতে চায়। রাজশাহী বিভাগের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা সংবাদকে জানিয়েছেন,
গত রবিবার দুপুর ১টা থেকে পৌনে ২টা পর্যন্ত গণচাঁদাবাজির সময় জনতা প্রতিবাদী হয়ে ওঠে।
ওসি আশিক ইকবাল সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেন, "আমি নিজে
ঘটনাস্থলে থেকে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছি। চাঁদাবাজ
ও সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই। জলিলসহ বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং যেখানেই তাকে
পাওয়া যাবে, সেখান থেকেই গ্রেপ্তার করা হবে।" বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ
মোতায়েন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন