ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর বিমান হামলায় স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সামরিক শাখার প্রধান ইজ্জ আল-দিন আল-হাদ্দাদ তাঁর স্ত্রী ও কন্যাসহ নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী শনিবার (১৬ মে) জানিয়েছে, গত শুক্রবার
গাজা সিটিতে তাদের ভাষায় একটি ‘সুনির্দিষ্ট হামলা’ পরিচালনার মাধ্যমে ইজ্জ আল-দ্বীন
আল-হাদ্দাদকে হত্যা করা হয়েছে। পরবর্তীতে হামাসের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি আনুষ্ঠানিক
বিবৃতিতে তাদের সামরিক প্রধানের নিহতের খবরটি নিশ্চিত করা হয়।
বিবৃতিতে হামাস জানায়, ১৯৭০ সালে জন্মগ্রহণকারী এই শীর্ষ
নেতা তাঁর স্ত্রী ও ১৯ বছর বয়সী কন্যার সাথে শাহাদাতবরণ করেছেন। হামাস তাঁকে ফিলিস্তিনি
প্রতিরোধ যোদ্ধাদের যুদ্ধ অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে একজন ‘কেন্দ্রীয় ব্যক্তি’ হিসেবে
বর্ণনা করেছে।
শনিবার মধ্য গাজার ঐতিহাসিক আল আকসা মার্টার্স মসজিদে হামাস
সামরিক প্রধান ইজ্জ আল-দিন আল-হাদ্দাদ, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁদের তরুণী কন্যার একটি যৌথ
জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
চলতি যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকেই ইসরায়েলি বাহিনী গাজায়
বারবার চুক্তি লঙ্ঘন করে হামলা চালিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায়, গত শুক্রবার গাজায় অন্তত
দুটি পৃথক হামলা চালায় ইসরায়েল, যাতে তিন নারী ও এক শিশুসহ সাত ফিলিস্তিনি নিহত হন।
এরপর শনিবারও গাজার দুটি ভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে
ইসরায়েলি বাহিনী। স্থানীয় চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গাজা সিটির আল শিফা হাসপাতালের কাছে
একটি চলন্ত যানবাহনকে লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন বা বিমান হামলায় দুইজন নিহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, গাজার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে চালানো অপর এক হামলায়
আরও এক ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। সবমিলিয়ে যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে
নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর বিমান হামলায় স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সামরিক শাখার প্রধান ইজ্জ আল-দিন আল-হাদ্দাদ তাঁর স্ত্রী ও কন্যাসহ নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী শনিবার (১৬ মে) জানিয়েছে, গত শুক্রবার
গাজা সিটিতে তাদের ভাষায় একটি ‘সুনির্দিষ্ট হামলা’ পরিচালনার মাধ্যমে ইজ্জ আল-দ্বীন
আল-হাদ্দাদকে হত্যা করা হয়েছে। পরবর্তীতে হামাসের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি আনুষ্ঠানিক
বিবৃতিতে তাদের সামরিক প্রধানের নিহতের খবরটি নিশ্চিত করা হয়।
বিবৃতিতে হামাস জানায়, ১৯৭০ সালে জন্মগ্রহণকারী এই শীর্ষ
নেতা তাঁর স্ত্রী ও ১৯ বছর বয়সী কন্যার সাথে শাহাদাতবরণ করেছেন। হামাস তাঁকে ফিলিস্তিনি
প্রতিরোধ যোদ্ধাদের যুদ্ধ অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে একজন ‘কেন্দ্রীয় ব্যক্তি’ হিসেবে
বর্ণনা করেছে।
শনিবার মধ্য গাজার ঐতিহাসিক আল আকসা মার্টার্স মসজিদে হামাস
সামরিক প্রধান ইজ্জ আল-দিন আল-হাদ্দাদ, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁদের তরুণী কন্যার একটি যৌথ
জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
চলতি যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকেই ইসরায়েলি বাহিনী গাজায়
বারবার চুক্তি লঙ্ঘন করে হামলা চালিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায়, গত শুক্রবার গাজায় অন্তত
দুটি পৃথক হামলা চালায় ইসরায়েল, যাতে তিন নারী ও এক শিশুসহ সাত ফিলিস্তিনি নিহত হন।
এরপর শনিবারও গাজার দুটি ভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে
ইসরায়েলি বাহিনী। স্থানীয় চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গাজা সিটির আল শিফা হাসপাতালের কাছে
একটি চলন্ত যানবাহনকে লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন বা বিমান হামলায় দুইজন নিহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, গাজার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে চালানো অপর এক হামলায়
আরও এক ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। সবমিলিয়ে যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে
নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

আপনার মতামত লিখুন