সংবাদ

লাইসেন্সহীন কারখানায় তৈরি হচ্ছে বিষাক্ত আইসক্রিম


প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম

লাইসেন্সহীন কারখানায় তৈরি হচ্ছে বিষাক্ত আইসক্রিম
ঝিনাইদহের মাইলবাড়িয়া গ্রামের সেই অবৈধ আইসক্রিম কারখানা। ছবি : সংবাদ

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নেপা ইউনিয়নের মাইলবাড়িয়া গ্রামে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে চলছে একটি অবৈধ আইসক্রিম কারখানা। কোনো ধরনের অনুমোদন, স্বাস্থ্যসনদ বা মান নিয়ন্ত্রণের তোয়াক্কা না করেই নূর আলম নামের এক ব্যক্তি বছরের পর বছর ধরে এখানে ক্ষতিকর আইসক্রিম ও বরফ উৎপাদন করে বাজারে ছাড়ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামের ছাগল মোড়সংলগ্ন এই কারখানায় শিশুদের লক্ষ্য করে রঙিন আইসক্রিম তৈরি করা হয়। কারখানার ভেতরের পরিবেশ অত্যন্ত নোংরা। পাশেই ভাঙারি মালের দোকান থাকায় কারখানাজুড়ে সব সময় ধুলোবালির স্তর জমে থাকে। শ্রমিকেরা জুতো পরেই আইসক্রিম উৎপাদন ও নাড়াচাড়ার কাজ করেন। স্বাস্থ্য সচেতনতার বালাইহীন এই পরিবেশে তৈরি হওয়া বরফ স্থানীয় লেবুর শরবত বিক্রেতাদের কাছেও সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষ অজান্তেই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।

দীর্ঘ এক যুগেও কারখানাটির বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে একদিকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যকে জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন মালিক নূর আলম।

কারখানাটি নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে এই ‘মৃত্যুফাঁদ’ বন্ধ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, "বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। অবৈধ এই কারখানার বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬


লাইসেন্সহীন কারখানায় তৈরি হচ্ছে বিষাক্ত আইসক্রিম

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নেপা ইউনিয়নের মাইলবাড়িয়া গ্রামে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে চলছে একটি অবৈধ আইসক্রিম কারখানা। কোনো ধরনের অনুমোদন, স্বাস্থ্যসনদ বা মান নিয়ন্ত্রণের তোয়াক্কা না করেই নূর আলম নামের এক ব্যক্তি বছরের পর বছর ধরে এখানে ক্ষতিকর আইসক্রিম ও বরফ উৎপাদন করে বাজারে ছাড়ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামের ছাগল মোড়সংলগ্ন এই কারখানায় শিশুদের লক্ষ্য করে রঙিন আইসক্রিম তৈরি করা হয়। কারখানার ভেতরের পরিবেশ অত্যন্ত নোংরা। পাশেই ভাঙারি মালের দোকান থাকায় কারখানাজুড়ে সব সময় ধুলোবালির স্তর জমে থাকে। শ্রমিকেরা জুতো পরেই আইসক্রিম উৎপাদন ও নাড়াচাড়ার কাজ করেন। স্বাস্থ্য সচেতনতার বালাইহীন এই পরিবেশে তৈরি হওয়া বরফ স্থানীয় লেবুর শরবত বিক্রেতাদের কাছেও সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষ অজান্তেই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।

দীর্ঘ এক যুগেও কারখানাটির বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে একদিকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যকে জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন মালিক নূর আলম।

কারখানাটি নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে এই ‘মৃত্যুফাঁদ’ বন্ধ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, "বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। অবৈধ এই কারখানার বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত