বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ দেখিয়েছে সিঙ্গাপুর। মঙ্গলবার (১৯ মে) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে দেশটির অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেরেক লো এই আগ্রহের কথা জানান।
বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতা, কৃষিপণ্য রপ্তানি, খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশবান্ধব শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একইসঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের উপায় নিয়েও কথা বলেন তারা।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী।’ তিনি মনে করেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, উন্নত অবকাঠামো, দক্ষ জনশক্তি ও রপ্তানিমুখী শিল্পের কারণে বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, লজিস্টিকস, বন্দর অবকাঠামো ও পরিবেশবান্ধব শিল্পখাতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। সরকার এসব খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে কাজ করছে।
সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেরেক লো বলেন, ‘সিঙ্গাপুর বাংলাদেশে আরও বেশি ব্যবসা ও বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।’ তিনি চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনাল প্রকল্পকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
প্রায় ৮০ কোটি থেকে ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের এই বিনিয়োগ বাংলাদেশের বাণিজ্য অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মত দেন তিনি। এ প্রকল্প ভবিষ্যতে আরও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন হাইকমিশনার।
খাদ্য নিরাপত্তার প্রসঙ্গ টেনে ডেরেক লো জানান, সিঙ্গাপুর বাংলাদেশের কৃষিপণ্য আমদানিতে আগ্রহী। বর্তমানে তাজা পণ্যের জন্য অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করে সিঙ্গাপুর। সে তুলনায় বাংলাদেশ তাদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় কৃষিপণ্যের উৎস হতে পারে। এতে করে দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানো সম্ভব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ দেখিয়েছে সিঙ্গাপুর। মঙ্গলবার (১৯ মে) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে দেশটির অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেরেক লো এই আগ্রহের কথা জানান।
বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতা, কৃষিপণ্য রপ্তানি, খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশবান্ধব শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একইসঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের উপায় নিয়েও কথা বলেন তারা।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী।’ তিনি মনে করেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, উন্নত অবকাঠামো, দক্ষ জনশক্তি ও রপ্তানিমুখী শিল্পের কারণে বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, লজিস্টিকস, বন্দর অবকাঠামো ও পরিবেশবান্ধব শিল্পখাতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। সরকার এসব খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে কাজ করছে।
সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেরেক লো বলেন, ‘সিঙ্গাপুর বাংলাদেশে আরও বেশি ব্যবসা ও বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।’ তিনি চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনাল প্রকল্পকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
প্রায় ৮০ কোটি থেকে ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের এই বিনিয়োগ বাংলাদেশের বাণিজ্য অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মত দেন তিনি। এ প্রকল্প ভবিষ্যতে আরও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন হাইকমিশনার।
খাদ্য নিরাপত্তার প্রসঙ্গ টেনে ডেরেক লো জানান, সিঙ্গাপুর বাংলাদেশের কৃষিপণ্য আমদানিতে আগ্রহী। বর্তমানে তাজা পণ্যের জন্য অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করে সিঙ্গাপুর। সে তুলনায় বাংলাদেশ তাদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় কৃষিপণ্যের উৎস হতে পারে। এতে করে দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানো সম্ভব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন