গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের বুড়াইল নদীর ওপর একটি পাকা সেতুর অভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দুই গ্রামের হাজারো মানুষ। বছরের পর বছর ধরে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হচ্ছেন তারা। শুকনো মৌসুমে কোনোমতে চলাচল করা গেলেও বর্ষায় এই দুর্ভোগ কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চর খোদ্দা ও লাটশালা গ্রামের শিক্ষার্থী, কৃষক ও চাকরিজীবীদের প্রতিদিন এই নড়বড়ে সাঁকোটি ব্যবহার করতে হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বর্ষায় নদীর পানি বাড়লে এবং উজানের কচুরিপানার চাপে প্রায়ই সাঁকোটি ভেঙে যায়। তখন জেলা ও উপজেলা শহরের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। কখনো নিজেদের তোলা চাঁদায়, আবার কখনো ইউনিয়ন পরিষদের সামান্য সহায়তায় চলে জোড়াতালির মেরামত।
ভুক্তভোগী কয়েকজন বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বর্ষা এলে ছেলেমেয়েরা স্কুলে যেতে পারে না, হাটে পণ্য নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিনের আকুতি সত্ত্বেও এখানে কোনো স্থায়ী সেতু নির্মিত হয়নি।
তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, বুড়াইল নদীর ওপর একটি স্থায়ী ও পাকা সেতু হওয়া অত্যন্ত জরুরি। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে আপৎকালীন সময়ে সাঁকোটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা স্থায়ী সমাধান নয়। এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের স্বার্থে এলাকাবাসী দ্রুত এখানে একটি পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের বুড়াইল নদীর ওপর একটি পাকা সেতুর অভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দুই গ্রামের হাজারো মানুষ। বছরের পর বছর ধরে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হচ্ছেন তারা। শুকনো মৌসুমে কোনোমতে চলাচল করা গেলেও বর্ষায় এই দুর্ভোগ কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চর খোদ্দা ও লাটশালা গ্রামের শিক্ষার্থী, কৃষক ও চাকরিজীবীদের প্রতিদিন এই নড়বড়ে সাঁকোটি ব্যবহার করতে হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বর্ষায় নদীর পানি বাড়লে এবং উজানের কচুরিপানার চাপে প্রায়ই সাঁকোটি ভেঙে যায়। তখন জেলা ও উপজেলা শহরের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। কখনো নিজেদের তোলা চাঁদায়, আবার কখনো ইউনিয়ন পরিষদের সামান্য সহায়তায় চলে জোড়াতালির মেরামত।
ভুক্তভোগী কয়েকজন বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বর্ষা এলে ছেলেমেয়েরা স্কুলে যেতে পারে না, হাটে পণ্য নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিনের আকুতি সত্ত্বেও এখানে কোনো স্থায়ী সেতু নির্মিত হয়নি।
তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, বুড়াইল নদীর ওপর একটি স্থায়ী ও পাকা সেতু হওয়া অত্যন্ত জরুরি। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে আপৎকালীন সময়ে সাঁকোটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা স্থায়ী সমাধান নয়। এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের স্বার্থে এলাকাবাসী দ্রুত এখানে একটি পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন