মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও আমিষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১০০ জন খামারির মধ্যে ২,৫০০টি মুরগি বিতরণ করা হয়েছে। ‘ঢাকা বিভাগীয় নদীবিধৌত চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় বুধবার (২০ মে) সকালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল চত্বরে এসব মুরগি বিতরণ করা হয়।
বিনামূল্যে সরকারি সহায়তা হিসেবে উন্নত জাতের সোনালি মুরগি পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় খামারিরা। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তানজিলা ফেরদৌসী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মানিকগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মজিবুর রহমান সুফলভোগীদের হাতে মুরগি তুলে দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, “চরের মানুষের ভাগ্যবদল ও পুষ্টির চাহিদা মেটাতেই সরকার এই বিশেষ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সাটুরিয়া উপজেলায় প্রায় ৪ হাজার খামারি এই প্রকল্পের বিভিন্ন সুবিধার আওতায় রয়েছেন।”
বিনামূল্যে ২৫টি করে মুরগি পেয়ে আনন্দিত খামারি আয়নাল হক ও রওশন আরা। তারা জানান, অভাবের সংসারে এই মুরগিগুলো লালন-পালন করে ও ডিম বিক্রি করে সচ্ছলতা ফেরানোর স্বপ্ন দেখছেন তারা। সরকারি এই উদ্যোগ তাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. খোকন হোসেন, সাটুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. নাজমুন্নাহার প্রমুখ।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও আমিষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১০০ জন খামারির মধ্যে ২,৫০০টি মুরগি বিতরণ করা হয়েছে। ‘ঢাকা বিভাগীয় নদীবিধৌত চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় বুধবার (২০ মে) সকালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল চত্বরে এসব মুরগি বিতরণ করা হয়।
বিনামূল্যে সরকারি সহায়তা হিসেবে উন্নত জাতের সোনালি মুরগি পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় খামারিরা। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তানজিলা ফেরদৌসী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মানিকগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মজিবুর রহমান সুফলভোগীদের হাতে মুরগি তুলে দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, “চরের মানুষের ভাগ্যবদল ও পুষ্টির চাহিদা মেটাতেই সরকার এই বিশেষ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সাটুরিয়া উপজেলায় প্রায় ৪ হাজার খামারি এই প্রকল্পের বিভিন্ন সুবিধার আওতায় রয়েছেন।”
বিনামূল্যে ২৫টি করে মুরগি পেয়ে আনন্দিত খামারি আয়নাল হক ও রওশন আরা। তারা জানান, অভাবের সংসারে এই মুরগিগুলো লালন-পালন করে ও ডিম বিক্রি করে সচ্ছলতা ফেরানোর স্বপ্ন দেখছেন তারা। সরকারি এই উদ্যোগ তাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. খোকন হোসেন, সাটুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. নাজমুন্নাহার প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন