হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার পাহাড়ি জনপদে পাকতে শুরু করেছে জাতীয় ফল কাঁঠাল। জ্যৈষ্ঠের শুরুতে বাজারে ভরপুর মৌসুমী ফলের সমাগম ঘটার কথা থাকলেও বৈশাখের মাঝামাঝি থেকেই এখানে পাকা কাঁঠাল পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় বাজারে এরই মধ্যে পাকা কাঁঠালের পাশাপাশি সবজি হিসেবে কাঁচা কাঁঠালের চাহিদাও বেড়েছে।
উপজেলার চণ্ডী মাজার সংলগ্ন পুরাতন ঢাকা-সিলেট সড়কের দুই পাশে বসছে পাহাড়ি কাঁঠালের হাট। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররা এসে এখান থেকে কাঁঠাল সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়রা জানান, গ্রামাঞ্চলের কাঁঠাল পাকতে আরও কিছু দিন সময় লাগলেও পাহাড়ি এলাকায় আগাম ফলন পাওয়া যাচ্ছে। অনেকে আবার তরকারি হিসেবে খাওয়ার জন্য কাঁচা কাঁঠালও কিনছেন।
চুনারুঘাটের বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে গাছে গাছে ঝুলে থাকা কাঁঠাল এখন পথচারীদের নজর কাড়ছে। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই ফলের কোনো অংশই ফেলনা নয়; কাঁঠালের কোষ ও বীজ মানুষের খাদ্য এবং এর চামড়া গবাদিপশুর উৎকৃষ্ট খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের চাহিদা মিটিয়ে এই কাঁঠাল বিদেশেও রপ্তানি করা হয়।
তবে এবার ফলন আসার সময় পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়া এবং তীব্র খরায় অনেক কাঁঠাল ঝরে পড়েছে। ফলের আকারও কিছুটা ছোট হয়েছে। আবার সাম্প্রতিক ঝড়-বৃষ্টিতে অনেক গাছ ভেঙে পড়ায় কৃষকেরা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও শেষ পর্যন্ত কাঁঠালের ফলন ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার পাহাড়ি জনপদে পাকতে শুরু করেছে জাতীয় ফল কাঁঠাল। জ্যৈষ্ঠের শুরুতে বাজারে ভরপুর মৌসুমী ফলের সমাগম ঘটার কথা থাকলেও বৈশাখের মাঝামাঝি থেকেই এখানে পাকা কাঁঠাল পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় বাজারে এরই মধ্যে পাকা কাঁঠালের পাশাপাশি সবজি হিসেবে কাঁচা কাঁঠালের চাহিদাও বেড়েছে।
উপজেলার চণ্ডী মাজার সংলগ্ন পুরাতন ঢাকা-সিলেট সড়কের দুই পাশে বসছে পাহাড়ি কাঁঠালের হাট। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররা এসে এখান থেকে কাঁঠাল সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়রা জানান, গ্রামাঞ্চলের কাঁঠাল পাকতে আরও কিছু দিন সময় লাগলেও পাহাড়ি এলাকায় আগাম ফলন পাওয়া যাচ্ছে। অনেকে আবার তরকারি হিসেবে খাওয়ার জন্য কাঁচা কাঁঠালও কিনছেন।
চুনারুঘাটের বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে গাছে গাছে ঝুলে থাকা কাঁঠাল এখন পথচারীদের নজর কাড়ছে। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই ফলের কোনো অংশই ফেলনা নয়; কাঁঠালের কোষ ও বীজ মানুষের খাদ্য এবং এর চামড়া গবাদিপশুর উৎকৃষ্ট খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের চাহিদা মিটিয়ে এই কাঁঠাল বিদেশেও রপ্তানি করা হয়।
তবে এবার ফলন আসার সময় পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়া এবং তীব্র খরায় অনেক কাঁঠাল ঝরে পড়েছে। ফলের আকারও কিছুটা ছোট হয়েছে। আবার সাম্প্রতিক ঝড়-বৃষ্টিতে অনেক গাছ ভেঙে পড়ায় কৃষকেরা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও শেষ পর্যন্ত কাঁঠালের ফলন ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন