পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ১০টি অস্থায়ী গবাদি পশুর হাট বসানোর অনুমতি দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয় ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে এসব হাট ইজারা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একমাত্র স্থায়ী বাজার ‘মুরাদিয়া বোর্ড অফিস বাজার’ ছাড়াও অতিরিক্ত আরও ১০টি স্থানে কোরবানির পশু কেনাবেচা হবে। অস্থায়ী হাটগুলো হলো- পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের পাঙ্গাশিয়া মাদ্রাসা ব্রিজ সংলগ্ন হাট, ধোপার হাট ও হাজির হাট; লেবুখালী ইউনিয়নের পায়রা সেতু সংলগ্ন নতুন বাজার ও ইউনিভার্সিটি স্কয়ারের দক্ষিণ পাশ; আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের দুমকি সাতানী কালভার্ট বাজার, বাহেরচর ফেরিঘাট ও জলিশা কদমতলা হাট এবং শ্রীরামপুর ইউনিয়নের দুমকি নতুন বাজার বালুর মাঠ ও তালুকদার বাজার।
সপ্তাহে ২ দিন (সোম ও শুক্রবার) বিকেলে এসব হাট বসে। ইতিমধ্যে হাটগুলোতে গবাদি পশুর আমদানি বাড়তে শুরু করেছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের দরদামে মুখর হয়ে উঠছে চারপাশ। স্থানীয় খামারি ও উদ্যোক্তারা আশা করছেন, বাড়ির কাছে হাট হওয়ায় তারা ভালো দাম পাবেন।
আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর ফেরিঘাট হাটের ইজারাদার মো. মহিবুল্লাহ বলেন, ‘ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে হাটটি বসানো হয়েছে। আশপাশের এলাকা থেকেও অনেকে এখানে আসছেন। আশা করছি, ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রি তত বাড়বে।’
জাফর খান নামের এক পাইকার জানান, তিনি ছোট-বড় বিভিন্ন ধরনের গরু সংগ্রহ করে হাটে আনছেন এবং এবার ভালো লাভের আশা করছেন।
দুমকি উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পশুর হাটগুলোতে নিরাপদে কেনাবেচা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ১০টি অস্থায়ী গবাদি পশুর হাট বসানোর অনুমতি দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয় ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে এসব হাট ইজারা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একমাত্র স্থায়ী বাজার ‘মুরাদিয়া বোর্ড অফিস বাজার’ ছাড়াও অতিরিক্ত আরও ১০টি স্থানে কোরবানির পশু কেনাবেচা হবে। অস্থায়ী হাটগুলো হলো- পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের পাঙ্গাশিয়া মাদ্রাসা ব্রিজ সংলগ্ন হাট, ধোপার হাট ও হাজির হাট; লেবুখালী ইউনিয়নের পায়রা সেতু সংলগ্ন নতুন বাজার ও ইউনিভার্সিটি স্কয়ারের দক্ষিণ পাশ; আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের দুমকি সাতানী কালভার্ট বাজার, বাহেরচর ফেরিঘাট ও জলিশা কদমতলা হাট এবং শ্রীরামপুর ইউনিয়নের দুমকি নতুন বাজার বালুর মাঠ ও তালুকদার বাজার।
সপ্তাহে ২ দিন (সোম ও শুক্রবার) বিকেলে এসব হাট বসে। ইতিমধ্যে হাটগুলোতে গবাদি পশুর আমদানি বাড়তে শুরু করেছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের দরদামে মুখর হয়ে উঠছে চারপাশ। স্থানীয় খামারি ও উদ্যোক্তারা আশা করছেন, বাড়ির কাছে হাট হওয়ায় তারা ভালো দাম পাবেন।
আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর ফেরিঘাট হাটের ইজারাদার মো. মহিবুল্লাহ বলেন, ‘ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে হাটটি বসানো হয়েছে। আশপাশের এলাকা থেকেও অনেকে এখানে আসছেন। আশা করছি, ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রি তত বাড়বে।’
জাফর খান নামের এক পাইকার জানান, তিনি ছোট-বড় বিভিন্ন ধরনের গরু সংগ্রহ করে হাটে আনছেন এবং এবার ভালো লাভের আশা করছেন।
দুমকি উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পশুর হাটগুলোতে নিরাপদে কেনাবেচা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন