নরসিংদীর পলাশে ৯ বছরের শিশু রামিমকে পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি সবুজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) ভোরে সদর উপজেলার আর্শিনগর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া সবুজ মিয়া পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের চরকারারদী গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গত ৬ মে গজারিয়া বাজারে শিশু রামিমকে জোরপূর্বক একটি রিকশার গ্যারেজে নিয়ে যায় সবুজসহ ৪ যুবক। সেখানে তারা রামিমের পায়ুপথ ও মুখে হাওয়ার মেশিন দিয়ে বাতাস ঢুকিয়ে দেয়। এতে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা রিপন মিয়া বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে পলাশ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর থেকেই আসামিরা পলাতক ছিল। আজ ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আর্শিনগর রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সবুজকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহেদ আল মামুন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
নরসিংদীর পলাশে ৯ বছরের শিশু রামিমকে পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি সবুজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) ভোরে সদর উপজেলার আর্শিনগর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া সবুজ মিয়া পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের চরকারারদী গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গত ৬ মে গজারিয়া বাজারে শিশু রামিমকে জোরপূর্বক একটি রিকশার গ্যারেজে নিয়ে যায় সবুজসহ ৪ যুবক। সেখানে তারা রামিমের পায়ুপথ ও মুখে হাওয়ার মেশিন দিয়ে বাতাস ঢুকিয়ে দেয়। এতে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা রিপন মিয়া বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে পলাশ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর থেকেই আসামিরা পলাতক ছিল। আজ ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আর্শিনগর রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সবুজকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহেদ আল মামুন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন