আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে চাঁদপুর জেলায় ৬৬ হাজার ৯৮টি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্যমতে, জেলায় পশুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ৭৫ হাজার। সেই হিসেবে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পশুর ঘাটতি থাকছে প্রায় ৯ হাজার।
জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর জানায়, কোরবানির জন্য জেলায় প্রস্তুত পশুর মধ্যে রয়েছে ২৭ হাজার ৩৪৬টি ষাঁড়, ৮ হাজার ৩৬৬টি বলদ, ১০ হাজার ৫৭১টি গাভি, ২৩টি মহিষ, ১৯ হাজার ৩৪৬টি ছাগল এবং ৪৪৬টি ভেড়া।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চাঁদপুরের ৮ উপজেলায় ৪,১৫৫ জন উদ্যোক্তা কোরবানিযোগ্য পশু লালন-পালন করছেন। খামারিরা মূলত দেশীয় পদ্ধতিতে ঘাস, খৈল, খড় ও ভুসি খাইয়ে এসব পশু বড় করেছেন। ছোট ও মাঝারি আকারের ষাঁড়গুলো স্থানীয় হাটে বিক্রির প্রস্তুতি নেওয়া হলেও বড় আকারের গরু বিক্রিতে খামারিরা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের ওপর বেশি নির্ভর করছেন।
শহরের খলিসাডুলি এলাকার স্যাটকো ডেইরি ফার্মের উদ্যোক্তা সৈয়দ আহমেদ ও তার ছেলে সালেহ আহমেদ সান জানান, তারা দীর্ঘ বছর ধরে দেশীয় পদ্ধতিতে খামারে পশু লালন-পালন করছেন। এবারও হাটের জন্য বেশ কিছু বড় ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন তারা।
এদিকে সদর উপজেলার মৈশাদি ইউনিয়নের হামানকর্দ্দি গ্রামের খামারি নার্গিস বেগম তার ৩ টি বড় ষাঁড় নিয়ে আলোচনায় এসেছেন। এর মধ্যে ‘রাজা বাবু’ নামের ষাঁড়টির দাম চাওয়া হচ্ছে ১২ লাখ টাকা। এ ছাড়া ‘হামানকর্দ্দি কিং’-এর দাম ১০ লাখ এবং অন্য একটি ষাঁড়ের দাম ৫ লাখ টাকা হাঁকছেন তিনি। খামারের শ্রমিক মোসলেম জানান, প্রাকৃতিক খাবার দিয়েই ষাঁড়গুলো বড় করা হয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জ্যোতির্ময় ভৌমিক বলেন, “জেলায় পশুর চাহিদা ৭৫ হাজার হলেও খামারিদের কাছে আছে ৬৬ হাজার। বাকি ৯ হাজার পশুর জোগান দেবেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। ফলে বাজারে পশুর কোনো সংকট হবে না বলে আমরা আশা করছি।”
এদিকে চাঁদপুর পৌরসভা ও সদর উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারা প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায় করা হলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে চাঁদপুর জেলায় ৬৬ হাজার ৯৮টি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্যমতে, জেলায় পশুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ৭৫ হাজার। সেই হিসেবে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পশুর ঘাটতি থাকছে প্রায় ৯ হাজার।
জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর জানায়, কোরবানির জন্য জেলায় প্রস্তুত পশুর মধ্যে রয়েছে ২৭ হাজার ৩৪৬টি ষাঁড়, ৮ হাজার ৩৬৬টি বলদ, ১০ হাজার ৫৭১টি গাভি, ২৩টি মহিষ, ১৯ হাজার ৩৪৬টি ছাগল এবং ৪৪৬টি ভেড়া।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চাঁদপুরের ৮ উপজেলায় ৪,১৫৫ জন উদ্যোক্তা কোরবানিযোগ্য পশু লালন-পালন করছেন। খামারিরা মূলত দেশীয় পদ্ধতিতে ঘাস, খৈল, খড় ও ভুসি খাইয়ে এসব পশু বড় করেছেন। ছোট ও মাঝারি আকারের ষাঁড়গুলো স্থানীয় হাটে বিক্রির প্রস্তুতি নেওয়া হলেও বড় আকারের গরু বিক্রিতে খামারিরা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের ওপর বেশি নির্ভর করছেন।
শহরের খলিসাডুলি এলাকার স্যাটকো ডেইরি ফার্মের উদ্যোক্তা সৈয়দ আহমেদ ও তার ছেলে সালেহ আহমেদ সান জানান, তারা দীর্ঘ বছর ধরে দেশীয় পদ্ধতিতে খামারে পশু লালন-পালন করছেন। এবারও হাটের জন্য বেশ কিছু বড় ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন তারা।
এদিকে সদর উপজেলার মৈশাদি ইউনিয়নের হামানকর্দ্দি গ্রামের খামারি নার্গিস বেগম তার ৩ টি বড় ষাঁড় নিয়ে আলোচনায় এসেছেন। এর মধ্যে ‘রাজা বাবু’ নামের ষাঁড়টির দাম চাওয়া হচ্ছে ১২ লাখ টাকা। এ ছাড়া ‘হামানকর্দ্দি কিং’-এর দাম ১০ লাখ এবং অন্য একটি ষাঁড়ের দাম ৫ লাখ টাকা হাঁকছেন তিনি। খামারের শ্রমিক মোসলেম জানান, প্রাকৃতিক খাবার দিয়েই ষাঁড়গুলো বড় করা হয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জ্যোতির্ময় ভৌমিক বলেন, “জেলায় পশুর চাহিদা ৭৫ হাজার হলেও খামারিদের কাছে আছে ৬৬ হাজার। বাকি ৯ হাজার পশুর জোগান দেবেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। ফলে বাজারে পশুর কোনো সংকট হবে না বলে আমরা আশা করছি।”
এদিকে চাঁদপুর পৌরসভা ও সদর উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারা প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায় করা হলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন