ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ, সময়ের সঙ্গে লড়াই এবং এক অনিশ্চিত যাত্রার গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে চরকি অরিজিনাল চলচ্চিত্র ‘লাইফলাইন’। নির্মাতা কাজী আসাদ পরিচালিত সিনেমাটি আগামী ২১ জুন মুক্তি পাবে চরকিতে। ‘লাইফলাইন’-এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো চরকির কোনো প্রযোজনায় অভিনয় করলেন বিদ্যা সিনহা মিম।
চলচ্চিত্রটিতে আরও
অভিনয় করেছেন গাজী রাকায়েত, আ খ ম হাসান, খায়রুল আলম সবুজ, নাজনীন হাসান চুমকি, আনিসা
নূর এবং ফাতেমাতুজ জোহরা। চলচ্চিত্রটির গল্প লিখেছেন মাহমুদুল হাসান ও কাজী আসাদ। চিত্রনাট্য
ও সংলাপ রচনা করেছেন আসাদুজ্জামান আবীর এবং কাজী আসাদ।
শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা
নিয়ে রেজওয়ান বলেন, দুর্গম পথে মোটরসাইকেল চালানো ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে
খেতের আল দিয়ে মিমকে সঙ্গে নিয়ে চলার সময় নিরাপত্তার বিষয়টি তাকে সবসময় ভাবতে হয়েছে।
একই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বিদ্যা সিনহা মিমও। তিনি বলেন, উঁচু-নিচু কাঁচা রাস্তা
ও প্রচণ্ড গরমের মধ্যে শুটিং করা পুরো ইউনিটের জন্যই কঠিন ছিল। তবে দৃশ্যগুলো ভালোভাবে
ধারণ করতে পারার আনন্দ সব কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে।
নিজের চরিত্র অনন্যা
সম্পর্কে মিম বলেন, “সে সময়ের সঙ্গে এক ধরনের লড়াইয়ে আটকে আছে। সে সেই সময়কে অতিক্রম
করতে পারবে কি না, সেটিই গল্পের অন্যতম বড় প্রশ্ন।” বুধবার প্রকাশিত ট্রেলারে দেখা
যায়, শহুরে তরুণী অনন্যা চরিত্রে অভিনয় করা বিদ্যা সিনহা মিম একজন অজানা মানুষকে খুঁজে
বের করার উদ্দেশ্যে বের হন এক দুর্গম যাত্রায়। তার এই অভিযানে সঙ্গী হন কোরবান চরিত্রের
রেজওয়ান পারভেজ। মোটরসাইকেলে করে নানা দুর্গম পথ পাড়ি দিতে দেখা যায় তাদের। যাত্রাপথে
দুজনের মধ্যে মতবিরোধ, ঝগড়া এবং আবেগঘন নানা মুহূর্ত ট্রেলারে উঠে এসেছে। তবে অনন্যা
কাকে খুঁজছেন এবং কেন খুঁজছেন সেই রহস্য এখনই উন্মোচন করেননি নির্মাতারা।
এর আগে মোশাররফ
করিমকে নিয়ে ‘আধুনিক বাংলা হোটেল’ নির্মাণ করে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন কাজী আসাদ। নতুন
চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সামাজিক নাট্যধর্মী একটি গল্প নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা থেকেই
‘লাইফলাইন’-এর যাত্রা শুরু। ভালোবাসার টানে একজন মানুষ কত দূর যেতে পারে এবং কত বড়
ঝুঁকি নিতে পারে, সেই বিষয়গুলোই চলচ্চিত্রটির মূল উপজীব্য। চলচ্চিত্রের নাম ‘লাইফলাইন’
রাখার কারণ এখনই প্রকাশ করতে চান না নির্মাতা।
তার মতে, দর্শক
যদি কোনো পূর্বধারণা ছাড়াই ছবিটি দেখেন, তাহলে গল্পের আসল সৌন্দর্য আরও ভালোভাবে উপলব্ধি
করতে পারবেন। কোরবান চরিত্রে অভিনয় করা রেজওয়ান পারভেজ বলেন, “‘লাইফলাইন’ দায়িত্ববোধ,
অনুভূতি এবং ভালোবাসার গল্প। এখানে ভালোবাসার একটি ভিন্ন রূপ দর্শক দেখতে পাবেন।” নিজের
চরিত্র সম্পর্কে তিনি জানান, বাইরে থেকে কঠিন মনে হলেও ভেতরে ভীষণ সংবেদনশীল একজন মানুষ
কোরবান।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ, সময়ের সঙ্গে লড়াই এবং এক অনিশ্চিত যাত্রার গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে চরকি অরিজিনাল চলচ্চিত্র ‘লাইফলাইন’। নির্মাতা কাজী আসাদ পরিচালিত সিনেমাটি আগামী ২১ জুন মুক্তি পাবে চরকিতে। ‘লাইফলাইন’-এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো চরকির কোনো প্রযোজনায় অভিনয় করলেন বিদ্যা সিনহা মিম।
চলচ্চিত্রটিতে আরও
অভিনয় করেছেন গাজী রাকায়েত, আ খ ম হাসান, খায়রুল আলম সবুজ, নাজনীন হাসান চুমকি, আনিসা
নূর এবং ফাতেমাতুজ জোহরা। চলচ্চিত্রটির গল্প লিখেছেন মাহমুদুল হাসান ও কাজী আসাদ। চিত্রনাট্য
ও সংলাপ রচনা করেছেন আসাদুজ্জামান আবীর এবং কাজী আসাদ।
শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা
নিয়ে রেজওয়ান বলেন, দুর্গম পথে মোটরসাইকেল চালানো ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে
খেতের আল দিয়ে মিমকে সঙ্গে নিয়ে চলার সময় নিরাপত্তার বিষয়টি তাকে সবসময় ভাবতে হয়েছে।
একই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বিদ্যা সিনহা মিমও। তিনি বলেন, উঁচু-নিচু কাঁচা রাস্তা
ও প্রচণ্ড গরমের মধ্যে শুটিং করা পুরো ইউনিটের জন্যই কঠিন ছিল। তবে দৃশ্যগুলো ভালোভাবে
ধারণ করতে পারার আনন্দ সব কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে।
নিজের চরিত্র অনন্যা
সম্পর্কে মিম বলেন, “সে সময়ের সঙ্গে এক ধরনের লড়াইয়ে আটকে আছে। সে সেই সময়কে অতিক্রম
করতে পারবে কি না, সেটিই গল্পের অন্যতম বড় প্রশ্ন।” বুধবার প্রকাশিত ট্রেলারে দেখা
যায়, শহুরে তরুণী অনন্যা চরিত্রে অভিনয় করা বিদ্যা সিনহা মিম একজন অজানা মানুষকে খুঁজে
বের করার উদ্দেশ্যে বের হন এক দুর্গম যাত্রায়। তার এই অভিযানে সঙ্গী হন কোরবান চরিত্রের
রেজওয়ান পারভেজ। মোটরসাইকেলে করে নানা দুর্গম পথ পাড়ি দিতে দেখা যায় তাদের। যাত্রাপথে
দুজনের মধ্যে মতবিরোধ, ঝগড়া এবং আবেগঘন নানা মুহূর্ত ট্রেলারে উঠে এসেছে। তবে অনন্যা
কাকে খুঁজছেন এবং কেন খুঁজছেন সেই রহস্য এখনই উন্মোচন করেননি নির্মাতারা।
এর আগে মোশাররফ
করিমকে নিয়ে ‘আধুনিক বাংলা হোটেল’ নির্মাণ করে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন কাজী আসাদ। নতুন
চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সামাজিক নাট্যধর্মী একটি গল্প নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা থেকেই
‘লাইফলাইন’-এর যাত্রা শুরু। ভালোবাসার টানে একজন মানুষ কত দূর যেতে পারে এবং কত বড়
ঝুঁকি নিতে পারে, সেই বিষয়গুলোই চলচ্চিত্রটির মূল উপজীব্য। চলচ্চিত্রের নাম ‘লাইফলাইন’
রাখার কারণ এখনই প্রকাশ করতে চান না নির্মাতা।
তার মতে, দর্শক
যদি কোনো পূর্বধারণা ছাড়াই ছবিটি দেখেন, তাহলে গল্পের আসল সৌন্দর্য আরও ভালোভাবে উপলব্ধি
করতে পারবেন। কোরবান চরিত্রে অভিনয় করা রেজওয়ান পারভেজ বলেন, “‘লাইফলাইন’ দায়িত্ববোধ,
অনুভূতি এবং ভালোবাসার গল্প। এখানে ভালোবাসার একটি ভিন্ন রূপ দর্শক দেখতে পাবেন।” নিজের
চরিত্র সম্পর্কে তিনি জানান, বাইরে থেকে কঠিন মনে হলেও ভেতরে ভীষণ সংবেদনশীল একজন মানুষ
কোরবান।

আপনার মতামত লিখুন