সংবাদ

ইরান চুক্তি না মানলে ‘যা দরকার তাই করব’: ট্রাম্প


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:২৬ এএম

ইরান চুক্তি না মানলে ‘যা দরকার তাই করব’: ট্রাম্প

ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত নতুন চুক্তির শর্ত মেনে না চলে, তবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (২২ জুন) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।

ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় বলেন: "ইরান চুক্তি না মানলে বা তারা সঠিকভাবে আচরণ না করলে যা করার দরকার, আমি তাই করব।"

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে সই করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের তীব্র সামরিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝে এই চুক্তিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

এই চুক্তির আগে মধ্যপ্রাচ্য এক ভয়াবহ সংঘাতের মধ্য দিয়ে গেছে। তিন মাসেরও বেশি সময় আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালায়। এর জবাবে পাল্টা আঘাত হানে ইরানও। তারা ইসরায়েলের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেসব স্থানেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এই পাল্টাপাল্টি হামলায় পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়।

লেবাননে ইসরায়েলের আগ্রাসন এবং ইরানবিরোধী এই সামরিক অভিযানের ফলে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এই সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারেও; আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপক বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অস্থিরতা দেখা দেয়।

সোমবার ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প ইরানের জব্দকৃত অর্থ ছাড় দেওয়ার বিষয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, এই অর্থ মূলত খাদ্য কেনার কাজে ব্যবহার করার শর্ত দেওয়া হয়েছে, যা পরোক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি খাতের জন্যই লাভজনক হবে।

ট্রাম্প বলেন: "তাদের (ইরানের) খাদ্যের খুব প্রয়োজন। ইরানের জনসংখ্যা প্রায় ৯ কোটি ১০ লাখ। তারা নিজেদের জনগণের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ করতে পারছে না। তাই আমরা যে অর্থ ছাড় দিচ্ছি, তার বড় অংশ শেষ পর্যন্ত আমাদের দেশের কৃষকদের কাছেই আসবে।"

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬


ইরান চুক্তি না মানলে ‘যা দরকার তাই করব’: ট্রাম্প

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬

featured Image

ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত নতুন চুক্তির শর্ত মেনে না চলে, তবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (২২ জুন) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।

ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় বলেন: "ইরান চুক্তি না মানলে বা তারা সঠিকভাবে আচরণ না করলে যা করার দরকার, আমি তাই করব।"

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে সই করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের তীব্র সামরিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝে এই চুক্তিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

এই চুক্তির আগে মধ্যপ্রাচ্য এক ভয়াবহ সংঘাতের মধ্য দিয়ে গেছে। তিন মাসেরও বেশি সময় আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালায়। এর জবাবে পাল্টা আঘাত হানে ইরানও। তারা ইসরায়েলের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেসব স্থানেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এই পাল্টাপাল্টি হামলায় পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়।

লেবাননে ইসরায়েলের আগ্রাসন এবং ইরানবিরোধী এই সামরিক অভিযানের ফলে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এই সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারেও; আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপক বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অস্থিরতা দেখা দেয়।

সোমবার ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প ইরানের জব্দকৃত অর্থ ছাড় দেওয়ার বিষয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, এই অর্থ মূলত খাদ্য কেনার কাজে ব্যবহার করার শর্ত দেওয়া হয়েছে, যা পরোক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি খাতের জন্যই লাভজনক হবে।

ট্রাম্প বলেন: "তাদের (ইরানের) খাদ্যের খুব প্রয়োজন। ইরানের জনসংখ্যা প্রায় ৯ কোটি ১০ লাখ। তারা নিজেদের জনগণের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ করতে পারছে না। তাই আমরা যে অর্থ ছাড় দিচ্ছি, তার বড় অংশ শেষ পর্যন্ত আমাদের দেশের কৃষকদের কাছেই আসবে।"

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত