সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে উচ্চপর্যায়ের প্রাথমিক আলোচনা শেষ করে তেহরানে ফিরে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ‘ইরানই পরিচালনা করবে’। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
তেহরানে পৌঁছে
গালিবাফ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন: "আশা করি আমরা প্রণালিটি আবার সক্রিয় করতে পারব,
যাতে পণ্য পরিবহন স্বাভাবিক হয় এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সমৃদ্ধি ফিরে আসে।"
ইরানের পার্লামেন্ট
স্পিকার আরও জানান, সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান দ্বিপাক্ষিক আলোচনায়
ইরানের দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত রাষ্ট্রীয় সম্পদ মুক্ত করা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পুনরায়
তেল বিক্রির বিষয়গুলো অন্যতম প্রধান এজেন্ডা হিসেবে ছিল।
ভূরাজনৈতিক
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ধমনী ও জ্বালানি পরিবহনের কৌশলগত রুট
‘হরমুজ প্রণালি’ নিয়ে ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের এই মন্তব্য আঞ্চলিক ভূরাজনীতি ও আন্তর্জাতিক
মহলে নতুন করে ব্যাপক গুরুত্ব তৈরি করতে পারে।
এদিকে, সুইজারল্যান্ডে
চলমান দ্বিপাক্ষিক শান্তি আলোচনার ইতিবাচক অগ্রগতির অংশ হিসেবে ইরানকে বড় ধরনের ছাড়
দিয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল এবং পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য উৎপাদন,
সরবরাহ ও বিশ্ববাজারে বিক্রির ওপর থেকে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে মার্কিন
ট্রেজারি বিভাগ (অর্থ মন্ত্রণালয়)। এজন্য ৬০ দিনের একটি ‘সাধারণ লাইসেন্স’ জারি করা
হয়েছে। এই সময়সীমার মধ্যে ইরান বিশ্ববাজারে কোনো বাধা ছাড়াই তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল
পণ্য বিক্রি করতে পারবে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে উচ্চপর্যায়ের প্রাথমিক আলোচনা শেষ করে তেহরানে ফিরে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ‘ইরানই পরিচালনা করবে’। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
তেহরানে পৌঁছে
গালিবাফ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন: "আশা করি আমরা প্রণালিটি আবার সক্রিয় করতে পারব,
যাতে পণ্য পরিবহন স্বাভাবিক হয় এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সমৃদ্ধি ফিরে আসে।"
ইরানের পার্লামেন্ট
স্পিকার আরও জানান, সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান দ্বিপাক্ষিক আলোচনায়
ইরানের দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত রাষ্ট্রীয় সম্পদ মুক্ত করা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পুনরায়
তেল বিক্রির বিষয়গুলো অন্যতম প্রধান এজেন্ডা হিসেবে ছিল।
ভূরাজনৈতিক
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ধমনী ও জ্বালানি পরিবহনের কৌশলগত রুট
‘হরমুজ প্রণালি’ নিয়ে ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের এই মন্তব্য আঞ্চলিক ভূরাজনীতি ও আন্তর্জাতিক
মহলে নতুন করে ব্যাপক গুরুত্ব তৈরি করতে পারে।
এদিকে, সুইজারল্যান্ডে
চলমান দ্বিপাক্ষিক শান্তি আলোচনার ইতিবাচক অগ্রগতির অংশ হিসেবে ইরানকে বড় ধরনের ছাড়
দিয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল এবং পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য উৎপাদন,
সরবরাহ ও বিশ্ববাজারে বিক্রির ওপর থেকে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে মার্কিন
ট্রেজারি বিভাগ (অর্থ মন্ত্রণালয়)। এজন্য ৬০ দিনের একটি ‘সাধারণ লাইসেন্স’ জারি করা
হয়েছে। এই সময়সীমার মধ্যে ইরান বিশ্ববাজারে কোনো বাধা ছাড়াই তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল
পণ্য বিক্রি করতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন