জাপানের দক্ষিণাঞ্চলে ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) আঘাত হানা এই দুর্যোগে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন হাজারো মানুষ। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে বুধবারও (২৯ জুলাই) চলছে ব্যাপক তৎপরতা।
সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কুমামাতো শহরের কাছে একটি বিপণিবিতানে (অ্যায়ন মল)। ভূমিকম্পের ঘণ্টাখানেক পর সেখানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে ভবনটির একাংশ ধসে পড়ে। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে ৮ জনকে উদ্ধার করলেও তাদের মধ্যে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের প্রায় ২ হাজার ৭০০ কর্মীর মধ্যে ৪ জনের এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি টোকিওতে সাংবাদিকদের বলেন, “এখনো অনেকে উদ্ধারের অপেক্ষায় আছেন। এটি সময়ের বিরুদ্ধে এক কঠিন লড়াই। বিপন্ন মানুষকে বাঁচাতে আমরা সব ধরনের সক্ষমতা কাজে লাগাচ্ছি।”
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ১৩ জন নিহতের পাশাপাশি ৫ জন ‘কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট’ অবস্থায় আছেন এবং অন্তত ৮ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া নিপ্পন পেপার ইন্ডাস্ট্রিজের একটি কারখানার চিমনি ধসে ৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকাজে পুলিশের পাশাপাশি প্রায় সাড়ে ৪ হাজার সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল কুমামাতো শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে। প্রধান কম্পনের পর ১০০টির বেশি পরাঘাত (আফটারশক) অনুভূত হয়েছে। বিদ্যুৎহীন অবস্থায় তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সনি, টয়োটা ও হোন্ডার মতো বড় কোম্পানিগুলো ওই অঞ্চলের কারখানাগুলোতে উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।
জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থানের কারণে বিশ্বের মোট শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর প্রায় ২০ শতাংশই এই অঞ্চলে ঘটে থাকে।
সূত্র : রয়টার্স
\

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
জাপানের দক্ষিণাঞ্চলে ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) আঘাত হানা এই দুর্যোগে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন হাজারো মানুষ। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে বুধবারও (২৯ জুলাই) চলছে ব্যাপক তৎপরতা।
সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কুমামাতো শহরের কাছে একটি বিপণিবিতানে (অ্যায়ন মল)। ভূমিকম্পের ঘণ্টাখানেক পর সেখানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে ভবনটির একাংশ ধসে পড়ে। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে ৮ জনকে উদ্ধার করলেও তাদের মধ্যে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের প্রায় ২ হাজার ৭০০ কর্মীর মধ্যে ৪ জনের এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি টোকিওতে সাংবাদিকদের বলেন, “এখনো অনেকে উদ্ধারের অপেক্ষায় আছেন। এটি সময়ের বিরুদ্ধে এক কঠিন লড়াই। বিপন্ন মানুষকে বাঁচাতে আমরা সব ধরনের সক্ষমতা কাজে লাগাচ্ছি।”
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ১৩ জন নিহতের পাশাপাশি ৫ জন ‘কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট’ অবস্থায় আছেন এবং অন্তত ৮ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া নিপ্পন পেপার ইন্ডাস্ট্রিজের একটি কারখানার চিমনি ধসে ৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকাজে পুলিশের পাশাপাশি প্রায় সাড়ে ৪ হাজার সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল কুমামাতো শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে। প্রধান কম্পনের পর ১০০টির বেশি পরাঘাত (আফটারশক) অনুভূত হয়েছে। বিদ্যুৎহীন অবস্থায় তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সনি, টয়োটা ও হোন্ডার মতো বড় কোম্পানিগুলো ওই অঞ্চলের কারখানাগুলোতে উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।
জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থানের কারণে বিশ্বের মোট শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর প্রায় ২০ শতাংশই এই অঞ্চলে ঘটে থাকে।
সূত্র : রয়টার্স
\

আপনার মতামত লিখুন