২২ শ্রাবণ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণ দিবস। দিবসটি
উপলক্ষে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়িতে জাতীয় পর্যায়ে
বা প্রশাসনের উদ্যোগে কোনো বড় কর্মসূচি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা
ও রবীন্দ্রভক্তরা।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে কুঠিবাড়ি চত্বরে বিশ্বকবির প্রতিকৃতিতে
পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে কুঠিবাড়ির মিলনায়তনে ক্ষুদ্র পরিসরে গান ও নাচের আয়োজন
করে কাস্টোডিয়ানের কার্যালয়। অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র কুঠিবাড়ির কাস্টোডিয়ান আল আমীনের সভাপতিত্বে
প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার।
রবীন্দ্রনাথের জন্মবার্ষিকী প্রতিবছর জাতীয়ভাবে তিন দিনব্যাপী
আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালিত হয়। তবে প্রয়াণ দিবসে কুঠিবাড়িতে সরকারি কোনো
বড় আয়োজন না থাকায় হতাশ দর্শনার্থীরা। এদিন সকালে কুঠিবাড়ি প্রাঙ্গণে দেখা যায় সুনসান
নীরবতা। হাতেগোনা কয়েকজন ভক্ত ও দর্শনার্থী দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এলেও ছিল না
কোনো সাজসজ্জা বা বর্ণাঢ্য আয়োজন।
কয়েকজন দর্শনার্থী আক্ষেপ করে বলেন, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম দিকপাল
ও নোবেলজয়ী প্রথম বাঙালির প্রয়াণ দিবসটি যথাযথভাবে পালন করা হচ্ছে না। অথচ জন্মবার্ষিকীতে
হাজার হাজার মানুষের পদচারণায় মুখরিত থাকে এই কুঠিবাড়ি। স্থানীয় কবি ও নাট্যকার লিটন
আব্বাস বলেন, “প্রয়াণ দিবসে বরাবরই আয়োজনে ভাটা পড়ে থাকে। আগে উপজেলা প্রশাসনের ছোট
কিছু আয়োজন থাকলেও এবার তাও নেই। আমাদের দাবি, এই দিবসটিও জাতীয়ভাবে পালন করা হোক।”
রবীন্দ্র কুঠিবাড়ির কাস্টোডিয়ান আল আমীন বলেন, “সরকারিভাবে বা
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বড় কোনো আয়োজনের নির্দেশনা ছিল না। তবে আমরা নিজস্ব উদ্যোগে পুষ্পস্তবক
অর্পণ ও সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করেছি। রবীন্দ্রভক্তদের দাবির বিষয়টি
ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার এ প্রসঙ্গে বলেন,
কাস্টোডিয়ানের এই আয়োজন মূলত প্রশাসনেরই অংশ। তবে দিবসটি জাতীয়ভাবে পালনের বিষয়টি নিয়ে
ঊর্ধ্বতন মহলে আলোচনা করা হবে।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
২২ শ্রাবণ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণ দিবস। দিবসটি
উপলক্ষে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়িতে জাতীয় পর্যায়ে
বা প্রশাসনের উদ্যোগে কোনো বড় কর্মসূচি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা
ও রবীন্দ্রভক্তরা।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে কুঠিবাড়ি চত্বরে বিশ্বকবির প্রতিকৃতিতে
পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে কুঠিবাড়ির মিলনায়তনে ক্ষুদ্র পরিসরে গান ও নাচের আয়োজন
করে কাস্টোডিয়ানের কার্যালয়। অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র কুঠিবাড়ির কাস্টোডিয়ান আল আমীনের সভাপতিত্বে
প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার।
রবীন্দ্রনাথের জন্মবার্ষিকী প্রতিবছর জাতীয়ভাবে তিন দিনব্যাপী
আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালিত হয়। তবে প্রয়াণ দিবসে কুঠিবাড়িতে সরকারি কোনো
বড় আয়োজন না থাকায় হতাশ দর্শনার্থীরা। এদিন সকালে কুঠিবাড়ি প্রাঙ্গণে দেখা যায় সুনসান
নীরবতা। হাতেগোনা কয়েকজন ভক্ত ও দর্শনার্থী দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এলেও ছিল না
কোনো সাজসজ্জা বা বর্ণাঢ্য আয়োজন।
কয়েকজন দর্শনার্থী আক্ষেপ করে বলেন, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম দিকপাল
ও নোবেলজয়ী প্রথম বাঙালির প্রয়াণ দিবসটি যথাযথভাবে পালন করা হচ্ছে না। অথচ জন্মবার্ষিকীতে
হাজার হাজার মানুষের পদচারণায় মুখরিত থাকে এই কুঠিবাড়ি। স্থানীয় কবি ও নাট্যকার লিটন
আব্বাস বলেন, “প্রয়াণ দিবসে বরাবরই আয়োজনে ভাটা পড়ে থাকে। আগে উপজেলা প্রশাসনের ছোট
কিছু আয়োজন থাকলেও এবার তাও নেই। আমাদের দাবি, এই দিবসটিও জাতীয়ভাবে পালন করা হোক।”
রবীন্দ্র কুঠিবাড়ির কাস্টোডিয়ান আল আমীন বলেন, “সরকারিভাবে বা
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বড় কোনো আয়োজনের নির্দেশনা ছিল না। তবে আমরা নিজস্ব উদ্যোগে পুষ্পস্তবক
অর্পণ ও সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করেছি। রবীন্দ্রভক্তদের দাবির বিষয়টি
ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার এ প্রসঙ্গে বলেন,
কাস্টোডিয়ানের এই আয়োজন মূলত প্রশাসনেরই অংশ। তবে দিবসটি জাতীয়ভাবে পালনের বিষয়টি নিয়ে
ঊর্ধ্বতন মহলে আলোচনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন