পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) জাতীয় তেল কোম্পানির দুটি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার জন্য সরাসরি ইরানকে দায়ী করেছে আমিরাত। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যার এই ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও অঞ্চলটিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি (অ্যাডনক) নিশ্চিত করেছে যে, তাদের দুটি ভেসেল যখন হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করছিল, তখনই সেগুলো হামলার শিকার হয়। তবে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলে আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোরে ইউএই’র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে এই ঘটনাকে ‘শত্রুতামূলক হামলা’ ও ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে অভিহিত করে বলা হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বিশ্ব জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি। তবে এই হামলার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত শনিবারও অ্যাডনকের একটি ট্যাঙ্কারে একই ধরনের হামলা হয়েছিল। ডিএমটিসিএলের তথ্যমতে, গত ফেব্রুয়ারিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত অ্যাডনকের মোট ১৫টি জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আক্রান্ত হলো।
বর্তমানে ইরান হরমুজ প্রণালিতে কার্যত একটি অবরোধ বজায় রেখেছে এবং সেখান দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য শুল্ক দাবি করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা এই পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করে আসছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এর আগে হুমকি দিয়েছিল যে, তেহরানের নির্দেশ অমান্য করলে বা শত্রুপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো জাহাজ এই পথ দিয়ে গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরান ও ওমানের মধ্যে প্রণালিটির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা চললেও সমুদ্রপথে এই চোরাগোপ্তা হামলা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকে অস্থিতিশীল করে তোলার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
/

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) জাতীয় তেল কোম্পানির দুটি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার জন্য সরাসরি ইরানকে দায়ী করেছে আমিরাত। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যার এই ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও অঞ্চলটিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি (অ্যাডনক) নিশ্চিত করেছে যে, তাদের দুটি ভেসেল যখন হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করছিল, তখনই সেগুলো হামলার শিকার হয়। তবে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলে আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোরে ইউএই’র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে এই ঘটনাকে ‘শত্রুতামূলক হামলা’ ও ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে অভিহিত করে বলা হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বিশ্ব জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি। তবে এই হামলার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত শনিবারও অ্যাডনকের একটি ট্যাঙ্কারে একই ধরনের হামলা হয়েছিল। ডিএমটিসিএলের তথ্যমতে, গত ফেব্রুয়ারিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত অ্যাডনকের মোট ১৫টি জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আক্রান্ত হলো।
বর্তমানে ইরান হরমুজ প্রণালিতে কার্যত একটি অবরোধ বজায় রেখেছে এবং সেখান দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য শুল্ক দাবি করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা এই পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করে আসছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এর আগে হুমকি দিয়েছিল যে, তেহরানের নির্দেশ অমান্য করলে বা শত্রুপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো জাহাজ এই পথ দিয়ে গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরান ও ওমানের মধ্যে প্রণালিটির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা চললেও সমুদ্রপথে এই চোরাগোপ্তা হামলা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকে অস্থিতিশীল করে তোলার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
/

আপনার মতামত লিখুন