মাদককে দেশের যুব সমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, বাহিনীর কোনো সদস্য মাদক সেবন বা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে আইজি’জ ব্যাজ, শীল্ড প্যারেড এবং অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কড়া বার্তা দেন।
আইজিপি বলেন, "মাদক আমাদের যুব সমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। পুলিশ বাহিনীর কোন সদস্যের বিরুদ্ধে যদি মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।"
পুলিশের ঐতিহ্য ও পেশাদারিত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আইজিপি আরও বলেন, "বাংলাদেশ পুলিশ একটি ঐতিহ্যবাহী ও পেশাদার বাহিনী। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে পুলিশের প্রত্যেক সদস্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আজকে পুরস্কারপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা তাদের সাহস, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে সেই ঐতিহ্যকে আরো সমৃদ্ধ করেছেন।" তিনি বাহিনীর সকল সদস্যকে দেশের কল্যাণে আরও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে ১ মার্চ ২০২৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ৩৪১ জন পুলিশ সদস্যকে ‘পুলিশ ফোর্স এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস ব্যাজ-২০২৫’ পরিয়ে দেন আইজিপি।
অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে বিশেষ সাফল্য দেখানো ইউনিটগুলোকে এদিন পুরস্কৃত করা হয়। ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত চলা অভিযানে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে ‘ক’ গ্রুপে চট্টগ্রাম জেলা প্রথম, সিএমপি দ্বিতীয় ও কুমিল্লা জেলা তৃতীয় স্থান অর্জন করে। ‘খ’ গ্রুপে কক্সবাজার জেলা ও ‘গ’ গ্রুপে রাজবাড়ী জেলা প্রথম হয়।
এছাড়া এলিট ফোর্স র্যাবের মধ্যে র্যাব-১১ প্রথম এবং ডিএমপির ইউনিটগুলোর মধ্যে ডিবি প্রথম স্থান অধিকার করে। আইজিপি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও শীল্ড তুলে দেন।
মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের পারফরম্যান্স অনুযায়ী ‘ক’ গ্রুপে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ‘খ’ গ্রুপে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ‘গ’ গ্রুপে লালমনিরহাট জেলা পুলিশ প্রথম স্থান পায়। বিশেষায়িত ইউনিটগুলোর মধ্যে র্যাব-১৫, ডিএমপির ওয়ারী বিভাগ এবং হাইওয়ে পুলিশ নিজ নিজ গ্রুপে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পায়। এছাড়া বর্ণাঢ্য শীল্ড প্যারেড প্রতিযোগিতায় যৌথ মেট্রোপলিটন দল প্রথম, এপিবিএন দল দ্বিতীয় এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ দল তৃতীয় স্থান লাভ করে। পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বের প্রশংসা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানা হয়।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
মাদককে দেশের যুব সমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, বাহিনীর কোনো সদস্য মাদক সেবন বা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে আইজি’জ ব্যাজ, শীল্ড প্যারেড এবং অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কড়া বার্তা দেন।
আইজিপি বলেন, "মাদক আমাদের যুব সমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। পুলিশ বাহিনীর কোন সদস্যের বিরুদ্ধে যদি মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।"
পুলিশের ঐতিহ্য ও পেশাদারিত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আইজিপি আরও বলেন, "বাংলাদেশ পুলিশ একটি ঐতিহ্যবাহী ও পেশাদার বাহিনী। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে পুলিশের প্রত্যেক সদস্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আজকে পুরস্কারপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা তাদের সাহস, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে সেই ঐতিহ্যকে আরো সমৃদ্ধ করেছেন।" তিনি বাহিনীর সকল সদস্যকে দেশের কল্যাণে আরও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে ১ মার্চ ২০২৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ৩৪১ জন পুলিশ সদস্যকে ‘পুলিশ ফোর্স এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস ব্যাজ-২০২৫’ পরিয়ে দেন আইজিপি।
অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে বিশেষ সাফল্য দেখানো ইউনিটগুলোকে এদিন পুরস্কৃত করা হয়। ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত চলা অভিযানে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে ‘ক’ গ্রুপে চট্টগ্রাম জেলা প্রথম, সিএমপি দ্বিতীয় ও কুমিল্লা জেলা তৃতীয় স্থান অর্জন করে। ‘খ’ গ্রুপে কক্সবাজার জেলা ও ‘গ’ গ্রুপে রাজবাড়ী জেলা প্রথম হয়।
এছাড়া এলিট ফোর্স র্যাবের মধ্যে র্যাব-১১ প্রথম এবং ডিএমপির ইউনিটগুলোর মধ্যে ডিবি প্রথম স্থান অধিকার করে। আইজিপি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও শীল্ড তুলে দেন।
মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের পারফরম্যান্স অনুযায়ী ‘ক’ গ্রুপে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ‘খ’ গ্রুপে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ‘গ’ গ্রুপে লালমনিরহাট জেলা পুলিশ প্রথম স্থান পায়। বিশেষায়িত ইউনিটগুলোর মধ্যে র্যাব-১৫, ডিএমপির ওয়ারী বিভাগ এবং হাইওয়ে পুলিশ নিজ নিজ গ্রুপে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পায়। এছাড়া বর্ণাঢ্য শীল্ড প্যারেড প্রতিযোগিতায় যৌথ মেট্রোপলিটন দল প্রথম, এপিবিএন দল দ্বিতীয় এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ দল তৃতীয় স্থান লাভ করে। পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বের প্রশংসা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানা হয়।

আপনার মতামত লিখুন