প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা ইরফান খান-এর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মুক্তি পেয়েছে বহুদিনের হারিয়ে যাওয়া চলচ্চিত্র ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’। দীর্ঘ ২৫ বছর বক্সবন্দি থাকার পর সম্প্রতি ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে সিনেমাটি, যা ভক্তদের জন্য এক বিশেষ উপহার।
এই ছবিতে ইরফান
খানের সঙ্গে অভিনয় করেছেন বিদ্যা বালন। এটি তাদের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের কাজ এবং
উল্লেখযোগ্যভাবে এই একটিমাত্র ছবিতেই তারা একসঙ্গে অভিনয় করেছেন। বিদ্যা বালনের জন্যও
এটি তার প্রথমদিকের চলচ্চিত্রগুলোর একটি।
ছবিটি পরিচালনা
করেছিলেন সার্থক দাশগুপ্ত। নির্মাণের পর নানা প্রতিকূলতায়, বিশেষ করে মূল ফুটেজ হারিয়ে
যাওয়ার কারণে ছবিটির মুক্তি দীর্ঘদিন আটকে ছিল। পরে একটি ভিএইচএস কপি উদ্ধার করে আধুনিক
প্রযুক্তির মাধ্যমে পুনরুদ্ধার করা হয়, যা শেষ পর্যন্ত দর্শকদের সামনে আনা সম্ভব হয়েছে।
গল্পটি একটি সঙ্গীতশিল্পীকে
ঘিরে, যিনি দেশ ছাড়ার আগে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে স্মৃতি, নিঃসঙ্গতা
ও রহস্যের মধ্যে তার অভিজ্ঞতা ভিন্ন এক আবহ তৈরি করে। শূন্য বাজেটে নির্মিত এই সিনেমা
আজকের দর্শকদের জন্য এক ধরনের নস্টালজিক অভিজ্ঞতা হয়ে উঠেছে।
পরিচালক সার্থক
দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই তরুণ বয়সে শুধুমাত্র আবেগ ও অনুভূতির
ওপর ভর করে তিনি ছবিটি নির্মাণ করেছিলেন। ইরফান খানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে
এটি মুক্তি দিতে পেরে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে, বিদ্যা
বালনও ছবিটির মুক্তিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, এত বছর পর এই কাজটি দর্শকদের কাছে
পৌঁছানো তার জন্য দারুণ এক অনুভূতি।
গত ২৯ এপ্রিল মুক্তির পর মাত্র তিন দিনের মধ্যেই ইউটিউবে প্রায় দুই লাখ ভিউ অর্জন করেছে ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’, যা ইরফান ভক্তদের কাছে এক হারিয়ে যাওয়া অমূল্য সম্পদ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা ইরফান খান-এর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মুক্তি পেয়েছে বহুদিনের হারিয়ে যাওয়া চলচ্চিত্র ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’। দীর্ঘ ২৫ বছর বক্সবন্দি থাকার পর সম্প্রতি ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে সিনেমাটি, যা ভক্তদের জন্য এক বিশেষ উপহার।
এই ছবিতে ইরফান
খানের সঙ্গে অভিনয় করেছেন বিদ্যা বালন। এটি তাদের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের কাজ এবং
উল্লেখযোগ্যভাবে এই একটিমাত্র ছবিতেই তারা একসঙ্গে অভিনয় করেছেন। বিদ্যা বালনের জন্যও
এটি তার প্রথমদিকের চলচ্চিত্রগুলোর একটি।
ছবিটি পরিচালনা
করেছিলেন সার্থক দাশগুপ্ত। নির্মাণের পর নানা প্রতিকূলতায়, বিশেষ করে মূল ফুটেজ হারিয়ে
যাওয়ার কারণে ছবিটির মুক্তি দীর্ঘদিন আটকে ছিল। পরে একটি ভিএইচএস কপি উদ্ধার করে আধুনিক
প্রযুক্তির মাধ্যমে পুনরুদ্ধার করা হয়, যা শেষ পর্যন্ত দর্শকদের সামনে আনা সম্ভব হয়েছে।
গল্পটি একটি সঙ্গীতশিল্পীকে
ঘিরে, যিনি দেশ ছাড়ার আগে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে স্মৃতি, নিঃসঙ্গতা
ও রহস্যের মধ্যে তার অভিজ্ঞতা ভিন্ন এক আবহ তৈরি করে। শূন্য বাজেটে নির্মিত এই সিনেমা
আজকের দর্শকদের জন্য এক ধরনের নস্টালজিক অভিজ্ঞতা হয়ে উঠেছে।
পরিচালক সার্থক
দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই তরুণ বয়সে শুধুমাত্র আবেগ ও অনুভূতির
ওপর ভর করে তিনি ছবিটি নির্মাণ করেছিলেন। ইরফান খানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে
এটি মুক্তি দিতে পেরে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে, বিদ্যা
বালনও ছবিটির মুক্তিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, এত বছর পর এই কাজটি দর্শকদের কাছে
পৌঁছানো তার জন্য দারুণ এক অনুভূতি।
গত ২৯ এপ্রিল মুক্তির পর মাত্র তিন দিনের মধ্যেই ইউটিউবে প্রায় দুই লাখ ভিউ অর্জন করেছে ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’, যা ইরফান ভক্তদের কাছে এক হারিয়ে যাওয়া অমূল্য সম্পদ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন