সংবাদ

খুচরা বিদ্যুতের দাম ১০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম

খুচরা বিদ্যুতের দাম ১০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব
খুচরা বিদ্যুতের দাম ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব বিতরণ কোম্পানিগুলোর।

খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৬ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে চায় দেশের সরকারি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো। একই সঙ্গে পাইকারি পর্যায়ে যদি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি পায়, তবে সেই বর্ধিত খরচও গ্রাহক পর্যায়ে যুক্ত করার যৌথ আবেদন জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে ঢাকার ফার্মগেটে কেআইবি (কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দিনের গণশুনানিতে ৬টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি একযোগে এই প্রস্তাব তুলে ধরে।

শুনানিতে আবাসিকে বিদ্যুতের ব্যবহারের ধাপ বা স্ল্যাব পরিবর্তনের এমন কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা পাস হলে সবচেয়ে বেশি আর্থিক চাপে পড়বেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের সাধারণ মানুষ। এছাড়া বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও হাসপাতালের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিশেষ সুবিধা বা ক্রস-সাবসিডি তুলে দিয়ে সেগুলোকে বাণিজ্যিক শ্রেণির আওতায় নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে কয়েকটি বিতরণ কোম্পানি। এতে শিক্ষা ও চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যয় আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এর আগে বুধবার (২০ মে) প্রথম দিনের গণশুনানিতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিপিডিবি পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিটে এক টাকা ২০ পয়সা থেকে এক টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করে।

একই দিনে শুনানিতে বিদ্যুতের সঞ্চালন চার্জ প্রতি ইউনিট ১৯ পয়সা বা ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি বাংলাদেশ।

বিইআরসি চেয়ারম্যন জালাল আহমেদের সভাপতিত্বে সদস্য (অর্থ, প্রশাসন ও আইন) মো. আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য (বিদ্যুৎ) ব্রিগে. জেনারেল মোহাম্মদ শাহিদ সারওয়ার (অব.), সদস্য (গ্যাস) মো. মিজানুর রহমান, সদস্য (পেট্রোলিয়াম) ড. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া শুনানি গ্রহণ করেন।  এসময় বিইআরসি সচিব (যুগ্মসচিব) মো. নজরুল ইসলাম সরকার ও কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার (২০ মে) প্রথম দিনের শুনানিতে অংশ নিয়ে দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন ভোক্তা অধিকার সংগঠন, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা।

সেদিন বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, “সবার মতামত বিবেচনা করে কমিটির মূল্যায়নের মাধ্যমে আমরা বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত জানাবো।”

শুনানিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের লিখিত বক্তব্য ২৩ মে জমা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত বক্তব্য পাওয়া গেলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে কমিশনের জন্য সুবিধা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


খুচরা বিদ্যুতের দাম ১০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব

প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬

featured Image

খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৬ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে চায় দেশের সরকারি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো। একই সঙ্গে পাইকারি পর্যায়ে যদি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি পায়, তবে সেই বর্ধিত খরচও গ্রাহক পর্যায়ে যুক্ত করার যৌথ আবেদন জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে ঢাকার ফার্মগেটে কেআইবি (কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দিনের গণশুনানিতে ৬টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি একযোগে এই প্রস্তাব তুলে ধরে।

শুনানিতে আবাসিকে বিদ্যুতের ব্যবহারের ধাপ বা স্ল্যাব পরিবর্তনের এমন কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা পাস হলে সবচেয়ে বেশি আর্থিক চাপে পড়বেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের সাধারণ মানুষ। এছাড়া বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও হাসপাতালের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিশেষ সুবিধা বা ক্রস-সাবসিডি তুলে দিয়ে সেগুলোকে বাণিজ্যিক শ্রেণির আওতায় নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে কয়েকটি বিতরণ কোম্পানি। এতে শিক্ষা ও চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যয় আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এর আগে বুধবার (২০ মে) প্রথম দিনের গণশুনানিতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিপিডিবি পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিটে এক টাকা ২০ পয়সা থেকে এক টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করে।

একই দিনে শুনানিতে বিদ্যুতের সঞ্চালন চার্জ প্রতি ইউনিট ১৯ পয়সা বা ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি বাংলাদেশ।

বিইআরসি চেয়ারম্যন জালাল আহমেদের সভাপতিত্বে সদস্য (অর্থ, প্রশাসন ও আইন) মো. আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য (বিদ্যুৎ) ব্রিগে. জেনারেল মোহাম্মদ শাহিদ সারওয়ার (অব.), সদস্য (গ্যাস) মো. মিজানুর রহমান, সদস্য (পেট্রোলিয়াম) ড. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া শুনানি গ্রহণ করেন।  এসময় বিইআরসি সচিব (যুগ্মসচিব) মো. নজরুল ইসলাম সরকার ও কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার (২০ মে) প্রথম দিনের শুনানিতে অংশ নিয়ে দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন ভোক্তা অধিকার সংগঠন, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা।

সেদিন বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, “সবার মতামত বিবেচনা করে কমিটির মূল্যায়নের মাধ্যমে আমরা বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত জানাবো।”

শুনানিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের লিখিত বক্তব্য ২৩ মে জমা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত বক্তব্য পাওয়া গেলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে কমিশনের জন্য সুবিধা হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত