রাজধানীর মিরপুর পল্লবীর কালশী এলাকার বস্তিবাসীদের জীবনে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়। আগুনে সব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। এর মধ্যেই আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে নামা ঝুম বৃষ্টি তাদের কষ্টকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় নিরুপায় হয়ে বহু বস্তিবাসী কালশী ফ্লাইওভারের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন।
গতকাল সোমবার (২৫ মে) কালশী এলাকার ওই বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আগুনে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও বস্তির শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি এবং আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের অভিযোগ, সোমবার রাতের অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত তারা সরকারি বা বেসরকারি কোনো উল্লেখযোগ্য সহায়তা পাননি। খোলা আকাশের নিচে চরম অসহায় অবস্থায় রাত কাটাতে হয়েছে তাদের।
বস্তিবাসী জানান, গতকাল রাতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এলাকা পরিদর্শনে এসে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত আর কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি বা প্রশাসনের কেউ তাদের খোঁজ নিতে আসেননি।

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
রাজধানীর মিরপুর পল্লবীর কালশী এলাকার বস্তিবাসীদের জীবনে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়। আগুনে সব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। এর মধ্যেই আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে নামা ঝুম বৃষ্টি তাদের কষ্টকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় নিরুপায় হয়ে বহু বস্তিবাসী কালশী ফ্লাইওভারের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন।
গতকাল সোমবার (২৫ মে) কালশী এলাকার ওই বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আগুনে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও বস্তির শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি এবং আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের অভিযোগ, সোমবার রাতের অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত তারা সরকারি বা বেসরকারি কোনো উল্লেখযোগ্য সহায়তা পাননি। খোলা আকাশের নিচে চরম অসহায় অবস্থায় রাত কাটাতে হয়েছে তাদের।
বস্তিবাসী জানান, গতকাল রাতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এলাকা পরিদর্শনে এসে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত আর কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি বা প্রশাসনের কেউ তাদের খোঁজ নিতে আসেননি।

আপনার মতামত লিখুন