সংবাদ

ড্রয়ে অস্ট্রেলিয়ার শেষ বত্রিশ নিশ্চিত, অপেক্ষার প্রহরে প্যারাগুয়ে


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ০১:৩৫ পিএম

ড্রয়ে অস্ট্রেলিয়ার শেষ বত্রিশ নিশ্চিত, অপেক্ষার প্রহরে প্যারাগুয়ে

​চলতি বিশ্বকাপের ‘ডি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া ও প্যারাগুয়ে। মাঠের লড়াইয়ে কেউ কাউকে হারাতে না পারায় ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ০-০ গোলে ড্র হয়েছে। তবে এই ড্রয়ের ফলেই কপাল খুলেছে অস্ট্রেলিয়ার, তারা সরাসরি নিশ্চিত করেছে নকআউট পর্ব তথা রাউন্ড অব ৩২-এর টিকিট।

অন্যদিকে চার পয়েন্ট টেবিলে জমা করেও প্যারাগুয়েকে পরবর্তী পর্বে যাওয়ার জন্য এখন অফিশিয়ালি অন্য গ্রুপগুলোর ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে। এবারের ৪৮ দলের বড় বিশ্বকাপে ১২টি গ্রুপের মধ্যে সেরা আটটি তৃতীয় স্থান অধিকারী দলও নকআউট পর্বে যাওয়ার সুযোগ পাবে, আর সেই সমীকরণেই ভালো অবস্থানে থেকে অপেক্ষায় আছে প্যারাগুয়ে।
​ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই বেশ সতর্ক ছিল, কারণ দুই দলই এর আগে তুরস্ককে হারিয়ে তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠের লড়াইয়ে নেমেছিল। এই ম্যাচে যে দল জিতত, তারা যুক্তরাষ্ট্রের পর গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে শেষ করতে পারত।
তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকার কারণে ড্র করেও শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় স্থানটি নিজেদের করে নেয় অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয়বারের মতো নকআউট পর্বে ওঠার ঘটনা। এর আগে ২০০৬ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে তারা শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছিল। আগামী ৩ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটনে ‘জি’ গ্রুপের রানার্সআপ দলের মুখোমুখি হবে তারা।
​খেলার প্রথমার্ধে অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণভাগ বেশ ব্যস্ত রেখেছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে। তবে প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল দুর্দান্ত খেলে জ্যাকসন আরভিনের শট রুখে দেন এবং প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ক্রিস্টিয়ান ভলপাতোর গোল করার প্রচেষ্টাও সফলভাবে ব্যর্থ করে দেন।
দ্বিতীয়য়ার্ধে প্যারাগুয়ে বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে বেশি রাখলেও দুই দলের কেউই পরিষ্কার কোনো গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ম্যাচের একদম শেষ দিকে ৯০তম মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার জর্ডান বসের একটি শট পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়। এরপর যোগ করা সময়ে প্যারাগুয়ের মৌরিসিওর একটি দুর্বল শট সহজেই নিজের গ্লাভসে নেন অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ।
​এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বড় পরীক্ষা চালিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার কোচ টনি পপোভিচ। তিনি দলের শুরুর একাদশে একবারে ছয়টি পরিবর্তন নিয়ে আসেন। এর মধ্যে মাত্র ১৮ বছর বয়সী লুকাস হ্যারিংটনকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ করে দেন কোচ। যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের ক্লাব কলোরাডো র‌্যাপিডসের এই ডিফেন্ডার মাঠে নামার সাথে সাথেই একটি অনন্য রেকর্ড নিজের করে নেন।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে কমবয়সী খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামার নতুন কীর্তি গড়লেন এই তরুণ। তবে প্যারাগুয়ের জন্য একটি দুঃসংবাদ রয়েছে; দলটির মিডফিল্ডার দিয়েগো গোমেজ গ্রুপ পর্বে নিজের দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখায় দল যদি রাউন্ড অব ৩২-এ পা রাখেও, তবে সেই ম্যাচে তিনি খেলতে পারবেন না।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬


ড্রয়ে অস্ট্রেলিয়ার শেষ বত্রিশ নিশ্চিত, অপেক্ষার প্রহরে প্যারাগুয়ে

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬

featured Image

​চলতি বিশ্বকাপের ‘ডি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া ও প্যারাগুয়ে। মাঠের লড়াইয়ে কেউ কাউকে হারাতে না পারায় ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ০-০ গোলে ড্র হয়েছে। তবে এই ড্রয়ের ফলেই কপাল খুলেছে অস্ট্রেলিয়ার, তারা সরাসরি নিশ্চিত করেছে নকআউট পর্ব তথা রাউন্ড অব ৩২-এর টিকিট।

অন্যদিকে চার পয়েন্ট টেবিলে জমা করেও প্যারাগুয়েকে পরবর্তী পর্বে যাওয়ার জন্য এখন অফিশিয়ালি অন্য গ্রুপগুলোর ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে। এবারের ৪৮ দলের বড় বিশ্বকাপে ১২টি গ্রুপের মধ্যে সেরা আটটি তৃতীয় স্থান অধিকারী দলও নকআউট পর্বে যাওয়ার সুযোগ পাবে, আর সেই সমীকরণেই ভালো অবস্থানে থেকে অপেক্ষায় আছে প্যারাগুয়ে।
​ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই বেশ সতর্ক ছিল, কারণ দুই দলই এর আগে তুরস্ককে হারিয়ে তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠের লড়াইয়ে নেমেছিল। এই ম্যাচে যে দল জিতত, তারা যুক্তরাষ্ট্রের পর গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে শেষ করতে পারত।
তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকার কারণে ড্র করেও শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় স্থানটি নিজেদের করে নেয় অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয়বারের মতো নকআউট পর্বে ওঠার ঘটনা। এর আগে ২০০৬ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে তারা শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছিল। আগামী ৩ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটনে ‘জি’ গ্রুপের রানার্সআপ দলের মুখোমুখি হবে তারা।
​খেলার প্রথমার্ধে অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণভাগ বেশ ব্যস্ত রেখেছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে। তবে প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল দুর্দান্ত খেলে জ্যাকসন আরভিনের শট রুখে দেন এবং প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ক্রিস্টিয়ান ভলপাতোর গোল করার প্রচেষ্টাও সফলভাবে ব্যর্থ করে দেন।
দ্বিতীয়য়ার্ধে প্যারাগুয়ে বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে বেশি রাখলেও দুই দলের কেউই পরিষ্কার কোনো গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ম্যাচের একদম শেষ দিকে ৯০তম মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার জর্ডান বসের একটি শট পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়। এরপর যোগ করা সময়ে প্যারাগুয়ের মৌরিসিওর একটি দুর্বল শট সহজেই নিজের গ্লাভসে নেন অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ।
​এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বড় পরীক্ষা চালিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার কোচ টনি পপোভিচ। তিনি দলের শুরুর একাদশে একবারে ছয়টি পরিবর্তন নিয়ে আসেন। এর মধ্যে মাত্র ১৮ বছর বয়সী লুকাস হ্যারিংটনকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ করে দেন কোচ। যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের ক্লাব কলোরাডো র‌্যাপিডসের এই ডিফেন্ডার মাঠে নামার সাথে সাথেই একটি অনন্য রেকর্ড নিজের করে নেন।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে কমবয়সী খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামার নতুন কীর্তি গড়লেন এই তরুণ। তবে প্যারাগুয়ের জন্য একটি দুঃসংবাদ রয়েছে; দলটির মিডফিল্ডার দিয়েগো গোমেজ গ্রুপ পর্বে নিজের দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখায় দল যদি রাউন্ড অব ৩২-এ পা রাখেও, তবে সেই ম্যাচে তিনি খেলতে পারবেন না।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত