সংবাদ

ছাত্রদের ক্ষোভে রাহুলের সুর, ইন্দোরে মুখোমুখি বিজেপি-কংগ্রেস


দীপক মুখার্জী, কলকাতা
দীপক মুখার্জী, কলকাতা
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৬ পিএম

ছাত্রদের ক্ষোভে রাহুলের সুর, ইন্দোরে মুখোমুখি বিজেপি-কংগ্রেস
ছবি : সংগৃহীত

ইন্দোরের মাটিতে এবার প্রশ্নটা শুধু ছাত্রদের নয়–প্রশ্নটা সরাসরি ক্ষমতার রাজনীতির দিকে। পরীক্ষার অনিশ্চয়তা, চাকরির সংকট, পেপার লিক, নিয়োগে দেরি আর শিক্ষাব্যবস্থার অভিযোগ নিয়ে যখন ছাত্র-যুবরা রাস্তায়, তখন সেই ক্ষোভকে রাজনৈতিক ভাষা দিলেন রাহুল গান্ধী। ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ তাই কেবল একটি ছাত্র সমাবেশ নয়; এটি ছাত্র-যুবদের অসন্তোষকে ঘিরে কংগ্রেসের রাজনৈতিক বার্তা তৈরির মঞ্চ। আর সেই কারণেই বিজেপির পাল্টা আক্রমণও এসেছে তীব্রভাবে। ইন্দোরের মাঠে রাহুলের প্রশ্ন–‘সিস্টেম কার জন্য?’ আর তার বাইরে রাজনৈতিক লড়াই–এই দুইয়ের সংঘাতেই তৈরি হয়েছে ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’-এর আসল তাৎপর্য।

ইন্দোরে ১৯ সেপ্টেম্বর রাহুল গান্ধীর ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ কর্মসূচি শেষ হলেও তার রাজনৈতিক অভিঘাত নিয়ে আলোচনা এখনই থামছে না। কারণ এটি শুধুমাত্র রাহুল গান্ধীর একটি জনসভা ছিল না–মঞ্চে উঠে এসেছে ছাত্র-যুবদের শিক্ষা, পরীক্ষা, চাকরি, পেপার লিক, নিয়োগে দীর্ঘসূত্রিতা, বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়ার সমস্যা এবং ছাত্রাবাসের মতো একাধিক বাস্তব প্রশ্ন। ফলে ইন্দোরের এই কর্মসূচি কংগ্রেসের রাজনৈতিক কর্মসূচি হওয়ার পাশাপাশি ছাত্র-যুবদের অসন্তোষকে জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় আনার একটি প্রচেষ্টাও হয়ে উঠেছে।

মূল অনুষ্ঠানটি ইন্দোরের রিজিওনাল পার্ক-এর কাছে IDA গ্রাউন্ড-এ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে অন্য একটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা থাকলেও সরকারি অনুমতি-সংক্রান্ত জটিলতার কারনে স্থান পরিবর্তন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে দৃশ্যত উপস্থিতি পুরো গ্রাউন্ড উপচে পড়ার উপক্রম হয়ে পরে। নির্দিষ্ট কোনও স্বাধীন সরকারি সংখ্যা সামনে আসেনি। তাই কংগ্রেসের দেওয়া রেজিস্ট্রেশন বা প্রত্যাশিত উপস্থিতির সংখ্যাকে সরাসরি অনুষ্ঠানে উপস্থিত মানুষের সংখ্যা লক্ষাধিক। মাঠে এবং আশপাশে ছাত্র-যুবকদের উপস্থিতি যে কর্মসূচিটিকে বড় রাজনৈতিক সমাবেশের চরিত্রই বলা যায়। 

এই কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ছাত্রদের সরাসরি নিজেদের সমস্যার কথা বলার সুযোগ। মধ্যপ্রদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (MPPSC) পরীক্ষার্থীদের দীর্ঘ প্রস্তুতি, বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা, পরীক্ষার অনিয়ম ও নিয়োগে বিলম্বের অভিযোগ সামনে আসে। নার্সিং শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকেও শিক্ষাব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। ছাত্রাবাসের অভাব এবং বিশেষ করে ছাত্রীদের নিরাপদ থাকার ব্যবস্থা নিয়েও অভিযোগ উঠে আসে। অর্থাৎ ছাত্রদের বক্তব্যের কেন্দ্রবিন্দু ছিল কোনও একটি রাজনৈতিক স্লোগান নয়; বরং ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ।

রাহুল গান্ধী এই অভিযোগগুলিকে বৃহত্তর রাজনৈতিক কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করেন। তার বক্তব্যের মূল সুর ছিল ‘সিস্টেম বনাম স্টুডেন্টস’। তিনি অভিযোগ করেন, দেশের বর্তমান ব্যবস্থা ছাত্রদের প্রশ্ন করার ক্ষমতাকে দুর্বল করছে এবং শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মতো বিষয়েও সাধারণ ছাত্র-যুবরা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ঘিরেও তিনি রাজনৈতিক আক্রমণ করেন এবং দেশের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। এগুলি অবশ্য রাহুল গান্ধীর রাজনৈতিক অভিযোগের অংশ হিসেবেই দেখা প্রয়োজন।

ইন্দোরের কর্মসূচিতে রাহুলের বক্তব্যের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ছাত্রদের শুধু চাকরিপ্রার্থী হিসেবে না দেখে দেশের নাগরিক হিসেবে প্রশ্ন করার আহ্বান। শিক্ষা ও চাকরির সমস্যা থেকে শুরু করে পরীক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা–সবকিছুকেই তিনি বৃহত্তর গণতান্ত্রিক প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করেন। এখানেই কংগ্রেসের কৌশলটি স্পষ্ট। ছাত্রদের ব্যক্তিগত সমস্যা সামনে এনে সেই সমস্যাকে জাতীয় রাজনৈতিক বিতর্কের অংশ করে তোলা।

অন্যদিকে বিজেপিও এই কর্মসূচিকে নিছক ছাত্র-সমাবেশ হিসেবে দেখেনি। মধ্যপ্রদেশের বিজেপি নেতৃত্ব অনুষ্ঠান ঘিরে রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসকে রাজনৈতিকভাবে আক্রমণ করেছে। অনুষ্ঠানস্থল নিয়ে প্রশাসনিক অনুমতি এবং জমি ব্যবহারের বিষয় নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। বিজেপির বক্তব্যের মূল জায়গা ছিল–ছাত্রদের সমস্যা নিয়ে আলোচনার আড়ালে কংগ্রেস রাজনৈতিক প্রচার চালাচ্ছে। ফলে ইন্দোরের মাঠে ছাত্রদের প্রশ্ন যেমন ছিল, তেমনই মাঠের বাইরে কংগ্রেস-বিজেপির রাজনৈতিক সংঘাতও সমান্তরালভাবে চলেছে।

অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নিয়ে করা কিছু মন্তব্য এবং মিমিক্রি নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিজেপি তার সমালোচনা করেছে। তবে বিজেপির এই তোপের মুখে কংগ্রেসের পাশে দাঁড়িয়েছে আম আদমি পার্টি এবং তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র এবং আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজের দাবি, রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াত মাকে কোনও ভাবে অসম্মান করেননি। এক্স হ্যান্ডেলে মহুয়া মৈত্র লেখেন, এটি কোনও স্থূল কৌতুক বা অপরিণত আচরণ নয়; বরং কোনও প্রধানমন্ত্রীকে নির্ভয়ে ব্যঙ্গ করা ভারতীয়দের গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ। সৌরভ ভরদ্বাজও বিজেপির দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে বলেন, যে দল অন্যদের নিয়ে উপহাস ও অপমানজনক মন্তব্য করছে প্রতি নিয়ত তারা এখন সম্মান ও মর্যাদার কথা বলছে। তার বক্তব্য, সম্মান পেতে হলে আগে অন্যকে সম্মান করতে শিখতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ছাত্রদের ক্ষোভে রাহুলের সুর, ইন্দোরে মুখোমুখি বিজেপি-কংগ্রেস

প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ইন্দোরের মাটিতে এবার প্রশ্নটা শুধু ছাত্রদের নয়–প্রশ্নটা সরাসরি ক্ষমতার রাজনীতির দিকে। পরীক্ষার অনিশ্চয়তা, চাকরির সংকট, পেপার লিক, নিয়োগে দেরি আর শিক্ষাব্যবস্থার অভিযোগ নিয়ে যখন ছাত্র-যুবরা রাস্তায়, তখন সেই ক্ষোভকে রাজনৈতিক ভাষা দিলেন রাহুল গান্ধী। ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ তাই কেবল একটি ছাত্র সমাবেশ নয়; এটি ছাত্র-যুবদের অসন্তোষকে ঘিরে কংগ্রেসের রাজনৈতিক বার্তা তৈরির মঞ্চ। আর সেই কারণেই বিজেপির পাল্টা আক্রমণও এসেছে তীব্রভাবে। ইন্দোরের মাঠে রাহুলের প্রশ্ন–‘সিস্টেম কার জন্য?’ আর তার বাইরে রাজনৈতিক লড়াই–এই দুইয়ের সংঘাতেই তৈরি হয়েছে ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’-এর আসল তাৎপর্য।

ইন্দোরে ১৯ সেপ্টেম্বর রাহুল গান্ধীর ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ কর্মসূচি শেষ হলেও তার রাজনৈতিক অভিঘাত নিয়ে আলোচনা এখনই থামছে না। কারণ এটি শুধুমাত্র রাহুল গান্ধীর একটি জনসভা ছিল না–মঞ্চে উঠে এসেছে ছাত্র-যুবদের শিক্ষা, পরীক্ষা, চাকরি, পেপার লিক, নিয়োগে দীর্ঘসূত্রিতা, বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়ার সমস্যা এবং ছাত্রাবাসের মতো একাধিক বাস্তব প্রশ্ন। ফলে ইন্দোরের এই কর্মসূচি কংগ্রেসের রাজনৈতিক কর্মসূচি হওয়ার পাশাপাশি ছাত্র-যুবদের অসন্তোষকে জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় আনার একটি প্রচেষ্টাও হয়ে উঠেছে।

মূল অনুষ্ঠানটি ইন্দোরের রিজিওনাল পার্ক-এর কাছে IDA গ্রাউন্ড-এ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে অন্য একটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা থাকলেও সরকারি অনুমতি-সংক্রান্ত জটিলতার কারনে স্থান পরিবর্তন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে দৃশ্যত উপস্থিতি পুরো গ্রাউন্ড উপচে পড়ার উপক্রম হয়ে পরে। নির্দিষ্ট কোনও স্বাধীন সরকারি সংখ্যা সামনে আসেনি। তাই কংগ্রেসের দেওয়া রেজিস্ট্রেশন বা প্রত্যাশিত উপস্থিতির সংখ্যাকে সরাসরি অনুষ্ঠানে উপস্থিত মানুষের সংখ্যা লক্ষাধিক। মাঠে এবং আশপাশে ছাত্র-যুবকদের উপস্থিতি যে কর্মসূচিটিকে বড় রাজনৈতিক সমাবেশের চরিত্রই বলা যায়। 

এই কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ছাত্রদের সরাসরি নিজেদের সমস্যার কথা বলার সুযোগ। মধ্যপ্রদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (MPPSC) পরীক্ষার্থীদের দীর্ঘ প্রস্তুতি, বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা, পরীক্ষার অনিয়ম ও নিয়োগে বিলম্বের অভিযোগ সামনে আসে। নার্সিং শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকেও শিক্ষাব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। ছাত্রাবাসের অভাব এবং বিশেষ করে ছাত্রীদের নিরাপদ থাকার ব্যবস্থা নিয়েও অভিযোগ উঠে আসে। অর্থাৎ ছাত্রদের বক্তব্যের কেন্দ্রবিন্দু ছিল কোনও একটি রাজনৈতিক স্লোগান নয়; বরং ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ।

রাহুল গান্ধী এই অভিযোগগুলিকে বৃহত্তর রাজনৈতিক কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করেন। তার বক্তব্যের মূল সুর ছিল ‘সিস্টেম বনাম স্টুডেন্টস’। তিনি অভিযোগ করেন, দেশের বর্তমান ব্যবস্থা ছাত্রদের প্রশ্ন করার ক্ষমতাকে দুর্বল করছে এবং শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মতো বিষয়েও সাধারণ ছাত্র-যুবরা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ঘিরেও তিনি রাজনৈতিক আক্রমণ করেন এবং দেশের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। এগুলি অবশ্য রাহুল গান্ধীর রাজনৈতিক অভিযোগের অংশ হিসেবেই দেখা প্রয়োজন।

ইন্দোরের কর্মসূচিতে রাহুলের বক্তব্যের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ছাত্রদের শুধু চাকরিপ্রার্থী হিসেবে না দেখে দেশের নাগরিক হিসেবে প্রশ্ন করার আহ্বান। শিক্ষা ও চাকরির সমস্যা থেকে শুরু করে পরীক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা–সবকিছুকেই তিনি বৃহত্তর গণতান্ত্রিক প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করেন। এখানেই কংগ্রেসের কৌশলটি স্পষ্ট। ছাত্রদের ব্যক্তিগত সমস্যা সামনে এনে সেই সমস্যাকে জাতীয় রাজনৈতিক বিতর্কের অংশ করে তোলা।

অন্যদিকে বিজেপিও এই কর্মসূচিকে নিছক ছাত্র-সমাবেশ হিসেবে দেখেনি। মধ্যপ্রদেশের বিজেপি নেতৃত্ব অনুষ্ঠান ঘিরে রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসকে রাজনৈতিকভাবে আক্রমণ করেছে। অনুষ্ঠানস্থল নিয়ে প্রশাসনিক অনুমতি এবং জমি ব্যবহারের বিষয় নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। বিজেপির বক্তব্যের মূল জায়গা ছিল–ছাত্রদের সমস্যা নিয়ে আলোচনার আড়ালে কংগ্রেস রাজনৈতিক প্রচার চালাচ্ছে। ফলে ইন্দোরের মাঠে ছাত্রদের প্রশ্ন যেমন ছিল, তেমনই মাঠের বাইরে কংগ্রেস-বিজেপির রাজনৈতিক সংঘাতও সমান্তরালভাবে চলেছে।

অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নিয়ে করা কিছু মন্তব্য এবং মিমিক্রি নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিজেপি তার সমালোচনা করেছে। তবে বিজেপির এই তোপের মুখে কংগ্রেসের পাশে দাঁড়িয়েছে আম আদমি পার্টি এবং তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র এবং আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজের দাবি, রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াত মাকে কোনও ভাবে অসম্মান করেননি। এক্স হ্যান্ডেলে মহুয়া মৈত্র লেখেন, এটি কোনও স্থূল কৌতুক বা অপরিণত আচরণ নয়; বরং কোনও প্রধানমন্ত্রীকে নির্ভয়ে ব্যঙ্গ করা ভারতীয়দের গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ। সৌরভ ভরদ্বাজও বিজেপির দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে বলেন, যে দল অন্যদের নিয়ে উপহাস ও অপমানজনক মন্তব্য করছে প্রতি নিয়ত তারা এখন সম্মান ও মর্যাদার কথা বলছে। তার বক্তব্য, সম্মান পেতে হলে আগে অন্যকে সম্মান করতে শিখতে হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত