মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শেষ মুহূর্তে বিমান হামলা বাতিল করার পর ইয়েমেনের কৌশলগত পাহাড়ি অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিতে জোর তৎপরতা শুরু করেছে ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। লোহিত সাগরীয় উপকূল থেকে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনীকে বিচ্ছিন্ন করতে নতুন করে এই হামলা জোরদার করেছে তারা। ২১ সেপ্টেম্বর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের অনুরোধের পর রবিবার হুথিদের ওপর বিমান হামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। যুদ্ধবিমানগুলোতে বোমা লোড করার কাজ চললেও একদম শেষ মুহূর্তে সেই হামলা বাতিল নির্দেশ দেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড এ বিষয়ে স্পষ্ট মন্তব্য না করে বিষয়টি হোয়াইট হাউসের দিকে ঠেলে দিয়েছে।
এদিকে, রিয়াদের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের প্রেসিডেন্ট রশিদুল আল-আলিমি ট্রাম্পকে ফোন করে সামরিক সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে আলোচনায় ট্রাম্পের কাছ থেকে সরাসরি কোনো সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে প্রথমবারের মতো সৌদি রাজধানী রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে হুথিরা।
যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় পাঁচ সামরিক কর্মকর্তা জানান, লোহিত সাগর ও ভারত মহাসাগর সংলগ্ন তাইজ ও লাহিজ প্রদেশের কৌশলগত 'কাহবুব পর্বতমালা' দখলের চেষ্টা করছে হুথিরা। বাব আল-মানদে প্রণালির নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর থেকে সরকারি বাহিনী মূলত রক্ষণাত্মক অবস্থানে রয়েছে। সৌদি বাহিনী পাহাড়ি অঞ্চলে শত শত বিমান হামলা চালালেও হুথিদের অগ্রগতি পুরোপুরি ঠেকাতে পারছে না। জাতিসংঘ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক এই সংঘাতে সাড়ে সাত শর মতো মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং বাস্তুচ্যুত হয়েছে লক্ষাধিক ইয়েমেনি।
লোহিত সাগরের এই সংঘাত সৌদি আরবের তেল রপ্তানির জন্য বড় হুমকি তৈরি করেছে। বিকল্প হিসেবে দেশটি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের চেষ্টা বৃদ্ধি করলেও দিন দিন ঝুঁকি বাড়ছে। সার্বিক পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সংকটের সঙ্গে বৈশ্বিক তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে।
/

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শেষ মুহূর্তে বিমান হামলা বাতিল করার পর ইয়েমেনের কৌশলগত পাহাড়ি অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিতে জোর তৎপরতা শুরু করেছে ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। লোহিত সাগরীয় উপকূল থেকে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনীকে বিচ্ছিন্ন করতে নতুন করে এই হামলা জোরদার করেছে তারা। ২১ সেপ্টেম্বর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের অনুরোধের পর রবিবার হুথিদের ওপর বিমান হামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। যুদ্ধবিমানগুলোতে বোমা লোড করার কাজ চললেও একদম শেষ মুহূর্তে সেই হামলা বাতিল নির্দেশ দেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড এ বিষয়ে স্পষ্ট মন্তব্য না করে বিষয়টি হোয়াইট হাউসের দিকে ঠেলে দিয়েছে।
এদিকে, রিয়াদের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের প্রেসিডেন্ট রশিদুল আল-আলিমি ট্রাম্পকে ফোন করে সামরিক সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে আলোচনায় ট্রাম্পের কাছ থেকে সরাসরি কোনো সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে প্রথমবারের মতো সৌদি রাজধানী রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে হুথিরা।
যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় পাঁচ সামরিক কর্মকর্তা জানান, লোহিত সাগর ও ভারত মহাসাগর সংলগ্ন তাইজ ও লাহিজ প্রদেশের কৌশলগত 'কাহবুব পর্বতমালা' দখলের চেষ্টা করছে হুথিরা। বাব আল-মানদে প্রণালির নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর থেকে সরকারি বাহিনী মূলত রক্ষণাত্মক অবস্থানে রয়েছে। সৌদি বাহিনী পাহাড়ি অঞ্চলে শত শত বিমান হামলা চালালেও হুথিদের অগ্রগতি পুরোপুরি ঠেকাতে পারছে না। জাতিসংঘ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক এই সংঘাতে সাড়ে সাত শর মতো মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং বাস্তুচ্যুত হয়েছে লক্ষাধিক ইয়েমেনি।
লোহিত সাগরের এই সংঘাত সৌদি আরবের তেল রপ্তানির জন্য বড় হুমকি তৈরি করেছে। বিকল্প হিসেবে দেশটি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের চেষ্টা বৃদ্ধি করলেও দিন দিন ঝুঁকি বাড়ছে। সার্বিক পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সংকটের সঙ্গে বৈশ্বিক তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে।
/

আপনার মতামত লিখুন