যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের চাপ বা হুমকির মুখে নতি স্বীকার করে সমঝোতায় যাবে না ইরান। গতকাল সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে এই কঠোর অবস্থানের কথা পরিষ্কার করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
পার্লামেন্ট স্পিকার গালিবাফ তার পোস্টে অভিযোগ করেন যে,
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনার টেবিলকে আসলে একটি ‘আত্মসমর্পণের টেবিলে’
রূপান্তর করার চেষ্টা করছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরান কোনো চাপ বা হুমকির মুখে আত্মসমর্পণ
করবে না এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেবে না।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি
দিয়ে বলেছিলেন যে, ইরান যদি আলোচনায় না বসে তবে তাদের চরম পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
ট্রাম্পের সেই সরাসরি হুমকির জবাবেই গালিবাফ ইরানের এই অনড় অবস্থানের কথা জানালেন।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যখন এমন পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি
চলছে, তখন প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইসলামাবাদের এই প্রচেষ্টার মধ্যেই তেহরানের পক্ষ থেকে এমন কড়া বার্তা এল, যা দ্বিতীয়
দফা শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের কঠোর নীতি এবং ইরানের অনমনীয়
অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিকে নতুন করে উত্তপ্ত করে তুলছে।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের চাপ বা হুমকির মুখে নতি স্বীকার করে সমঝোতায় যাবে না ইরান। গতকাল সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে এই কঠোর অবস্থানের কথা পরিষ্কার করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
পার্লামেন্ট স্পিকার গালিবাফ তার পোস্টে অভিযোগ করেন যে,
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনার টেবিলকে আসলে একটি ‘আত্মসমর্পণের টেবিলে’
রূপান্তর করার চেষ্টা করছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরান কোনো চাপ বা হুমকির মুখে আত্মসমর্পণ
করবে না এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেবে না।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি
দিয়ে বলেছিলেন যে, ইরান যদি আলোচনায় না বসে তবে তাদের চরম পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
ট্রাম্পের সেই সরাসরি হুমকির জবাবেই গালিবাফ ইরানের এই অনড় অবস্থানের কথা জানালেন।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যখন এমন পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি
চলছে, তখন প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইসলামাবাদের এই প্রচেষ্টার মধ্যেই তেহরানের পক্ষ থেকে এমন কড়া বার্তা এল, যা দ্বিতীয়
দফা শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের কঠোর নীতি এবং ইরানের অনমনীয়
অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিকে নতুন করে উত্তপ্ত করে তুলছে।

আপনার মতামত লিখুন