রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য ওআইসির প্রতি আহ্বান জানান। মিয়ানমার থেকে জোর করে বাস্তুচ্যুত এ রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে সংগঠনটির ভূমিকা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বস্ত্র ও ওষুধশিল্পসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেন ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিরা। সেইসঙ্গে বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী ওআইসি প্রতিনিধিদের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে তাদের ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রদূতরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথাও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
সরকারপ্রধান আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের পাশাপাশি দেশগুলোর জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানো দরকার। এটি ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক বিনিময়কে আরও গতিশীল করবে।
বৈঠকে সৌদি আরব, তুরস্ক, ফিলিস্তিন, আলজেরিয়া, ব্রুনেই, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মরক্কো, ওমান, পাকিস্তান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ইরান, ইরাক ও লিবিয়ার মিশন প্রধানরাও অংশ নেন।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য ওআইসির প্রতি আহ্বান জানান। মিয়ানমার থেকে জোর করে বাস্তুচ্যুত এ রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে সংগঠনটির ভূমিকা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বস্ত্র ও ওষুধশিল্পসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেন ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিরা। সেইসঙ্গে বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী ওআইসি প্রতিনিধিদের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে তাদের ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রদূতরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথাও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
সরকারপ্রধান আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের পাশাপাশি দেশগুলোর জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানো দরকার। এটি ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক বিনিময়কে আরও গতিশীল করবে।
বৈঠকে সৌদি আরব, তুরস্ক, ফিলিস্তিন, আলজেরিয়া, ব্রুনেই, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মরক্কো, ওমান, পাকিস্তান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ইরান, ইরাক ও লিবিয়ার মিশন প্রধানরাও অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন