তিন দশকের বেশি সময় আগে প্রকাশিত হয় ডিফারেন্ট টাচ ব্যান্ডের ‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে, অঝোরে নামবে বুঝি শ্রাবণের ধারা...’গানটি। আশরাফ বাবু যা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরও মুখে মুখে ফিরতো।নব্বই দশকের এমন কেউ-ই নেই যার কানে এর সুর পৌঁছেনি।
১৯৮৭ সালের বর্ষা মৌসুমে ‘ডিফারেন্ট টাচ'-এর প্রধান শিল্পী আশরাফ বাবুর লেখা ও সুর দেওয়া গানটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে সিলেটের স্কুলশিক্ষিকা বিউটি পালের রিল ভিডিওকে ঘিরে।
নব্বই দশকে বিভিন্ন মঞ্চে গানটি গাইতেন ডিফারেন্ট টাচ ব্যান্ডের প্রধান ভোকাল মেজবাহ রহমান। সম্প্রতি সেই গানের রিল ভাইরাল নিয়ে যে আলোচনা চলছে সে বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।বলেছেন, ‘ভিডিওটিতে নেতিবাচক কিছু দেখছি না।’
মেজবাহ রহমান বলেন, ‘এই গানটা আমরা সব সময়ই গাই। এটা চিরন্তন বৃষ্টির গান, বর্ষার গান, প্রকৃতির গান। ১৯৮৯ সালে গানটি তৈরি করি। ১৯৯০ সালে প্রকাশ করি। ৩৬ বছর পরও এর আবেদন একটুও কমেনি। সাম্প্রতিক সময়ে এটি সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, এটাও এক ধরনের ভিন্ন অনুভূতি।’
সম্প্রতি এই গান ব্যবহার করে একটি রিল ভিডিও প্রকাশ করেন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার স্কুলশিক্ষিকা বিউটি রাণী পাল। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিকমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।
স্থানীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। তবে তার সহকর্মী ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষকরা একই গান ব্যবহার করে রিল তৈরি করে তার প্রতি সংহতি প্রকাশ করছেন।
বিউটি পালের প্রসঙ্গে মেজবাহ রহমান বলেন, ‘আমরা সব সময়ই বাবা-মায়ের পরে শিক্ষকদের স্থান দিই। শিক্ষকদের অবশ্যই কিছু বিষয় শিক্ষার্থীদের জন্য মেনে চলতে হয়। তবে এই রিল ভিডিও নিয়ে যেটা করা হচ্ছে, সেটা মোটেও কাম্য নয়। আমার কাছে এতে নেতিবাচক কিছু মনে হয়নি। এখানে একটি শ্রেণি কী অনৈতিক বিষয় খুঁজে পেল, আমি বুঝতে পারছি না।’
মেজবাহ আরও বলেন, ‘সামাজিকমাধ্যমকে আমরা কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারি না। প্রয়োজনেই সবাই এর দ্বারস্থ হয়। তাই একটি দিক দেখে কাউকে দোষারোপ করা ঠিক নয়।’
শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মেজবাহ রহমান। তার ভাষায়, ‘এটা নিয়ে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হলে সেটি ঠিক হবে না। আমার মনে হয়, বিষয়টি নমনীয়ভাবে দেখা উচিত। কারণ এটি কোনো নেতিবাচক ভিডিও ছিল না।’
এদিকে ঘটনাটি সম্পর্কে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল মোল্লা জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়েছে।প্রাথমিকভাবে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
তিন দশকের বেশি সময় আগে প্রকাশিত হয় ডিফারেন্ট টাচ ব্যান্ডের ‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে, অঝোরে নামবে বুঝি শ্রাবণের ধারা...’গানটি। আশরাফ বাবু যা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরও মুখে মুখে ফিরতো।নব্বই দশকের এমন কেউ-ই নেই যার কানে এর সুর পৌঁছেনি।
১৯৮৭ সালের বর্ষা মৌসুমে ‘ডিফারেন্ট টাচ'-এর প্রধান শিল্পী আশরাফ বাবুর লেখা ও সুর দেওয়া গানটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে সিলেটের স্কুলশিক্ষিকা বিউটি পালের রিল ভিডিওকে ঘিরে।
নব্বই দশকে বিভিন্ন মঞ্চে গানটি গাইতেন ডিফারেন্ট টাচ ব্যান্ডের প্রধান ভোকাল মেজবাহ রহমান। সম্প্রতি সেই গানের রিল ভাইরাল নিয়ে যে আলোচনা চলছে সে বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।বলেছেন, ‘ভিডিওটিতে নেতিবাচক কিছু দেখছি না।’
মেজবাহ রহমান বলেন, ‘এই গানটা আমরা সব সময়ই গাই। এটা চিরন্তন বৃষ্টির গান, বর্ষার গান, প্রকৃতির গান। ১৯৮৯ সালে গানটি তৈরি করি। ১৯৯০ সালে প্রকাশ করি। ৩৬ বছর পরও এর আবেদন একটুও কমেনি। সাম্প্রতিক সময়ে এটি সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, এটাও এক ধরনের ভিন্ন অনুভূতি।’
সম্প্রতি এই গান ব্যবহার করে একটি রিল ভিডিও প্রকাশ করেন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার স্কুলশিক্ষিকা বিউটি রাণী পাল। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিকমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।
স্থানীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। তবে তার সহকর্মী ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষকরা একই গান ব্যবহার করে রিল তৈরি করে তার প্রতি সংহতি প্রকাশ করছেন।
বিউটি পালের প্রসঙ্গে মেজবাহ রহমান বলেন, ‘আমরা সব সময়ই বাবা-মায়ের পরে শিক্ষকদের স্থান দিই। শিক্ষকদের অবশ্যই কিছু বিষয় শিক্ষার্থীদের জন্য মেনে চলতে হয়। তবে এই রিল ভিডিও নিয়ে যেটা করা হচ্ছে, সেটা মোটেও কাম্য নয়। আমার কাছে এতে নেতিবাচক কিছু মনে হয়নি। এখানে একটি শ্রেণি কী অনৈতিক বিষয় খুঁজে পেল, আমি বুঝতে পারছি না।’
মেজবাহ আরও বলেন, ‘সামাজিকমাধ্যমকে আমরা কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারি না। প্রয়োজনেই সবাই এর দ্বারস্থ হয়। তাই একটি দিক দেখে কাউকে দোষারোপ করা ঠিক নয়।’
শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মেজবাহ রহমান। তার ভাষায়, ‘এটা নিয়ে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হলে সেটি ঠিক হবে না। আমার মনে হয়, বিষয়টি নমনীয়ভাবে দেখা উচিত। কারণ এটি কোনো নেতিবাচক ভিডিও ছিল না।’
এদিকে ঘটনাটি সম্পর্কে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল মোল্লা জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়েছে।প্রাথমিকভাবে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন