সংবাদ

আমি ভাঙিনি, আপনারা কেন ভেঙে পড়েছেন: আঘাতের দাগ দেখিয়ে লড়াইয়ের ডাক মমতার


দীপক মুখার্জী, কলকাতা
দীপক মুখার্জী, কলকাতা
প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম

আমি ভাঙিনি, আপনারা কেন ভেঙে পড়েছেন: আঘাতের দাগ দেখিয়ে লড়াইয়ের ডাক মমতার

কালীঘাট থেকে ফের লড়াইয়ের ডাক দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জী। আঘাতের চিহ্ন দেখিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন—“আমি এত অত্যাচার সহ্য করেও ভেঙে পড়িনি, আপনারা কেন ভেঙে পড়ছেন?” রবিবার নিজের বাসভবন সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই বার্তাই দেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জী -সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলার নেতৃত্ব।

ভোট-পরবর্তী হিংসা এবং কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। মমতার স্পষ্ট নির্দেশ—এখনই সময় কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর, পার্টি অফিস খুলে দেওয়ার এবং ধীরে ধীরে ব্লক ও টাউন স্তরে রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু করার। তাঁর কথায়, ভয় পেলে চলবে না, লড়াই-আন্দোলনের মাধ্যমেই পথ খুঁজে নিতে হবে।

একইসঙ্গে ২০২৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটকে সামনে রেখে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। গ্রাম বাংলায় জনসংযোগ বাড়ানো, মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার করা—এই দু’টি বিষয়েই জোর দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। ইতিমধ্যেই দলীয় স্তরে তিনটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম গঠন করা হয়েছে, যারা জেলায় জেলায় ঘুরে কর্মীদের উপর অত্যাচারের তথ্য সংগ্রহ করছে।

দলীয় সূত্রে খবর, খুব শিগগিরই নিজে হাতে পার্টি অফিস রং করেও কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা জাগানোর চেষ্টা করতে পারেন মমতা। সব মিলিয়ে বার্তাটা একদম পরিষ্কার—তৃণমূল এখন ডিফেন্সে নয়, বরং নতুন করে আক্রমণাত্মক মুডে মাঠে নামতে প্রস্তুত।

রাজনীতির এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে মমতার এই বার্তা শুধু দলীয় কর্মীদের জন্য নয়, গোটা বাংলার রাজনীতিতেই নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে—এখন সেটাই দেখার।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬


আমি ভাঙিনি, আপনারা কেন ভেঙে পড়েছেন: আঘাতের দাগ দেখিয়ে লড়াইয়ের ডাক মমতার

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬

featured Image

কালীঘাট থেকে ফের লড়াইয়ের ডাক দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জী। আঘাতের চিহ্ন দেখিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন—“আমি এত অত্যাচার সহ্য করেও ভেঙে পড়িনি, আপনারা কেন ভেঙে পড়ছেন?” রবিবার নিজের বাসভবন সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই বার্তাই দেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জী -সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলার নেতৃত্ব।

ভোট-পরবর্তী হিংসা এবং কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। মমতার স্পষ্ট নির্দেশ—এখনই সময় কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর, পার্টি অফিস খুলে দেওয়ার এবং ধীরে ধীরে ব্লক ও টাউন স্তরে রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু করার। তাঁর কথায়, ভয় পেলে চলবে না, লড়াই-আন্দোলনের মাধ্যমেই পথ খুঁজে নিতে হবে।

একইসঙ্গে ২০২৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটকে সামনে রেখে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। গ্রাম বাংলায় জনসংযোগ বাড়ানো, মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার করা—এই দু’টি বিষয়েই জোর দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। ইতিমধ্যেই দলীয় স্তরে তিনটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম গঠন করা হয়েছে, যারা জেলায় জেলায় ঘুরে কর্মীদের উপর অত্যাচারের তথ্য সংগ্রহ করছে।

দলীয় সূত্রে খবর, খুব শিগগিরই নিজে হাতে পার্টি অফিস রং করেও কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা জাগানোর চেষ্টা করতে পারেন মমতা। সব মিলিয়ে বার্তাটা একদম পরিষ্কার—তৃণমূল এখন ডিফেন্সে নয়, বরং নতুন করে আক্রমণাত্মক মুডে মাঠে নামতে প্রস্তুত।

রাজনীতির এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে মমতার এই বার্তা শুধু দলীয় কর্মীদের জন্য নয়, গোটা বাংলার রাজনীতিতেই নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে—এখন সেটাই দেখার।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত