সংবাদ

‘দি জাংকারস’ এর প্রথম গান ‘নীরব প্রতীক্ষা’


বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ০৬:০৮ পিএম

‘দি জাংকারস’ এর প্রথম গান ‘নীরব প্রতীক্ষা’

দি জাংকারস তাদের প্রথম একক গান ‘নীরব প্রতীক্ষা’ প্রকাশের মাধ্যমে তরুণ সংগীতাঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল সংগীতপ্রেমী তরুণকে নিয়ে গড়ে ওঠা এই ব্যান্ড ইতোমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক শ্রোতাদের মধ্যে আলোচনায় এসেছে। গানটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে এবং অনেকেই গানটির কথা, সুর ও আবেগঘন উপস্থাপনাকে প্রশংসা করছেন।

গানটির কথা লিখেছেন শেখ সাকিব মাহমুদ। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ব্যান্ডটির ভোকাল উৎস দাস। গানটির প্রযোজনা করেছে গিটার হল। ব্যান্ডটির সদস্যরা জানিয়েছেন, নিজেদের অনুভূতি ও সমসাময়িক তরুণদের আবেগকে কেন্দ্র করেই গানটির নির্মাণ করা হয়েছে।

‘নীরব প্রতীক্ষা’ মূলত পরীক্ষাধর্মী আধুনিক রক ঘরানার একটি গান। এতে এমন এক সম্পর্কের আবেগ ফুটে উঠেছে, যেখানে প্রিয় মানুষটির অনুপস্থিতিই ধীরে ধীরে জীবনের সবচেয়ে গভীর উপস্থিতিতে পরিণত হয়। দীর্ঘদিনের অপেক্ষা, না-বলা অনুভূতি, দূরত্বের কষ্ট এবং একতরফা ভালোবাসার সূক্ষ্ম অনুভবকে গানের প্রতিটি লাইনে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। ব্যান্ডটির ভাষ্য অনুযায়ী, গানটির শেষাংশে রয়েছে এক ধরনের আবেগঘন আত্মসমর্পণ, যেখানে সময় বদলে গেলেও অনুভূতিগুলো রয়ে যায় একইরকম গভীর ও অমলিন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে গানটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে গানটির আবেগময় পরিবেশনা নিয়ে মতামত প্রকাশ করছেন। শিক্ষার্থী সাইফুর রহমান শোভন ফেইসবুকে লিখেছেন, “গানটির কথা ও সুরে আলাদা একটা অনুভূতি আছে। বিশেষ করে তরুণদের আবেগ ও অপেক্ষার গল্পকে খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে। নতুন ব্যান্ড হিসেবে দি জাংকারস দারুণ সম্ভাবনার পরিচয় দিয়েছে।”

ব্যান্ডটির ভোকাল ও সুরকার উৎস দাস বলেন, “‘নীরব প্রতীক্ষা’ কেবল একটি গান নয়, বরং আমাদের অনেকের জীবনের না-বলা কিছু অনুভূতির প্রতিচ্ছবি। আমরা সবাই কোনো না কোনো সময় এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাই, যা সহজে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। সেই অব্যক্ত আবেগগুলোই আমরা সুরের মাধ্যমে প্রকাশ করার চেষ্টা করেছি।”

ব্যান্ডটির সদস্যরা আরও জানান, ভবিষ্যতে তারা মৌলিক গান নিয়েই কাজ করতে চান এবং আধুনিক রক সংগীতে নিজেদের স্বতন্ত্র ধারা তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। তরুণদের অনুভূতি, ব্যক্তিগত গল্প ও সমসাময়িক বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে নতুন নতুন গান প্রকাশেরও ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তারা।

গানটি বর্তমানে শোনা যাচ্ছে স্পটিফাই, অ্যাপল মিউজিক এবং ব্যান্ডটির অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬


‘দি জাংকারস’ এর প্রথম গান ‘নীরব প্রতীক্ষা’

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬

featured Image

দি জাংকারস তাদের প্রথম একক গান ‘নীরব প্রতীক্ষা’ প্রকাশের মাধ্যমে তরুণ সংগীতাঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল সংগীতপ্রেমী তরুণকে নিয়ে গড়ে ওঠা এই ব্যান্ড ইতোমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক শ্রোতাদের মধ্যে আলোচনায় এসেছে। গানটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে এবং অনেকেই গানটির কথা, সুর ও আবেগঘন উপস্থাপনাকে প্রশংসা করছেন।

গানটির কথা লিখেছেন শেখ সাকিব মাহমুদ। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ব্যান্ডটির ভোকাল উৎস দাস। গানটির প্রযোজনা করেছে গিটার হল। ব্যান্ডটির সদস্যরা জানিয়েছেন, নিজেদের অনুভূতি ও সমসাময়িক তরুণদের আবেগকে কেন্দ্র করেই গানটির নির্মাণ করা হয়েছে।

‘নীরব প্রতীক্ষা’ মূলত পরীক্ষাধর্মী আধুনিক রক ঘরানার একটি গান। এতে এমন এক সম্পর্কের আবেগ ফুটে উঠেছে, যেখানে প্রিয় মানুষটির অনুপস্থিতিই ধীরে ধীরে জীবনের সবচেয়ে গভীর উপস্থিতিতে পরিণত হয়। দীর্ঘদিনের অপেক্ষা, না-বলা অনুভূতি, দূরত্বের কষ্ট এবং একতরফা ভালোবাসার সূক্ষ্ম অনুভবকে গানের প্রতিটি লাইনে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। ব্যান্ডটির ভাষ্য অনুযায়ী, গানটির শেষাংশে রয়েছে এক ধরনের আবেগঘন আত্মসমর্পণ, যেখানে সময় বদলে গেলেও অনুভূতিগুলো রয়ে যায় একইরকম গভীর ও অমলিন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে গানটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে গানটির আবেগময় পরিবেশনা নিয়ে মতামত প্রকাশ করছেন। শিক্ষার্থী সাইফুর রহমান শোভন ফেইসবুকে লিখেছেন, “গানটির কথা ও সুরে আলাদা একটা অনুভূতি আছে। বিশেষ করে তরুণদের আবেগ ও অপেক্ষার গল্পকে খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে। নতুন ব্যান্ড হিসেবে দি জাংকারস দারুণ সম্ভাবনার পরিচয় দিয়েছে।”

ব্যান্ডটির ভোকাল ও সুরকার উৎস দাস বলেন, “‘নীরব প্রতীক্ষা’ কেবল একটি গান নয়, বরং আমাদের অনেকের জীবনের না-বলা কিছু অনুভূতির প্রতিচ্ছবি। আমরা সবাই কোনো না কোনো সময় এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাই, যা সহজে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। সেই অব্যক্ত আবেগগুলোই আমরা সুরের মাধ্যমে প্রকাশ করার চেষ্টা করেছি।”

ব্যান্ডটির সদস্যরা আরও জানান, ভবিষ্যতে তারা মৌলিক গান নিয়েই কাজ করতে চান এবং আধুনিক রক সংগীতে নিজেদের স্বতন্ত্র ধারা তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। তরুণদের অনুভূতি, ব্যক্তিগত গল্প ও সমসাময়িক বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে নতুন নতুন গান প্রকাশেরও ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তারা।

গানটি বর্তমানে শোনা যাচ্ছে স্পটিফাই, অ্যাপল মিউজিক এবং ব্যান্ডটির অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত